Abhishek Banerjee: ডায়মন্ড হারবারে ১ লক্ষ ভোটে জয়ের টর্গেট, বৈঠকে আর কী নির্দেশ অভিষেকের
ডায়মন্ড হারবারারে এবার জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রে তিনি নিজেই প্রার্থী। কাজেই বিরোধী দলেরও বিশেষ নজর রয়েছে ডায়মন্ড হারবারের উপরেই। যদিও বিজেপি এবং বামেরা কেউই এখনও ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
বুধবার ডায়মন্ডহারবার এবং ফলতা লোকসভা কেন্দ্রের নেতাদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন অভিষেক। সেই বৈঠকেই ডায়মন্ড হারবারে জয়ের মার্জিন ১ লক্ষ ভোটের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে দলীয় কর্মীদের একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেগুলি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ এবং রাজনৈতিক কৌশলপূর্ণ।

রাজ্যে লোকসভা ভোটে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবার। শাসক দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রে প্রার্থী। পর পর তিনবার এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। সেকারণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই কেন্দ্রে পুনরায় জয়ী করতে কোমর কষেছে শাসক দল। দলের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তাই বিশেষ বৈঠক করছেন তিনি।
মূলত ডায়মন্ড হারবার এবং ফলতা লোকসভা কেন্দ্রের নেতাদের নিয়েই এই বৈঠক করছেন তিনি। তিনি বার্তা দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারে ১ লক্ষ ভোটে জিততেই হবে। কাজেই সেই টার্গেট নিয়ে কাজ করতে হবে দলের নেতা কর্মীদের। আর সেই জয়ের জন্য তিনি প্রচারে বিশেষ রণকৌশন নিতে বলেছেন। তিনি বলেছেন বিজেপি থেকে যাঁরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তাঁদের নিয়ে বেসি করে প্রচার করতে হবে।
অভিষেকের এই বার্তায় একেবারে পরিকল্পিত রণকৌশল রয়েছে। বিজেপি থেকে যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন তাঁদের অনেকেই এখনও বিজেপি ভোটারদের কাছের। সেকারণে তাঁদের তৃণমূলের সঙ্গে প্রচারে ঘুরতে দেখলে ভোটাররা স্বাভাবিক ভাবেই প্রভাবিত হতে পারে। এতে সুবিধা হবে তৃণমূল কংগ্রেসেরই। ভোটব্যাঙ্ক ভারী হতে এই রণকৌশল নিয়েছেন তিনি।
এদিকে এখনও পর্যন্ত বাম, বিজেপি, কংগ্রেস কেউই ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করে উঠতে পারেনি। এমনকী আইএসএফও প্রার্থী দেয়নি। আইএসএফ সুপ্রিমো নওশাদ সিদ্দিকি নিজে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কিন্তু আনুষ্ঠানিক কোনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেননি তিনি।












Click it and Unblock the Notifications