তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাবের নেপথ্যে কি রাজ্যসভার ডাক! মান্নানের উদ্যোগে প্রশ্ন বাম-কংগ্রেসে

বাম-কংগ্রেস কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এবার ভোট-যুদ্ধে সামিল হলেও বিরোধী দলেনতা আবদুল মান্নান চেয়েছিলেন তৃণমূলকেও সামিল করতে। কেননা বিজেপিকে হারানোই তাঁদের পয়লা নম্বর শর্ত।

বাম-কংগ্রেস কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এবার ভোট-যুদ্ধে সামিল হলেও বিরোধী দলেনতা আবদুল মান্নান চেয়েছিলেন তৃণমূলকেও সামিল করতে। কেননা বিজেপিকে হারানোই তাঁদের পয়লা নম্বর শর্ত। খড়গপুর সদরে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলই প্রার্থী দিক চেয়েছিলেন তিনি। তাঁর এই প্রস্তাবকে অবশ্য বাঁকা চোখে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব মান্নানের, নেপথ্যে কী কারণ

খড়গপুর কেন্দ্রে আবদুল মান্নান তৃণমূলে সমর্থনের বার্তাকে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এবার রাজ্যসভায় যেতে চাইছেন মান্নান। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্থলাভিষিক্ত হতে চাইছেন তিনি। তাই তৃণমূলকে সমর্থনের বার্তা দিয়েছেন। সোনিয়াকে চিঠি লিখেছেন প্রদেশের নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে। অথচ এই মান্নান সাহেবই বাম-কংগ্রেস জোটের প্রবক্তা ছিলেন।

যদিও এই প্রসঙ্গে মান্নান স্পষ্ট করে দেন। তিনি কোনও চিঠি দেননি। শুধু প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কারণ খড়গপুরে এই মুহূর্তে কংগ্রেসের সংগঠন তেমন শক্তিশালী নয়। তাই বিজেপিকে হারানোর জন্য তৃণমূলকে সমর্থনের কথা বলেছিলাম। তৃণমূলের সঙ্গে জোট নয়, একটি কেন্দ্রে সমর্থন দিয়ে বিজেপিকে হারানোই ছিল তাঁর কথার উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালেই বাংলা থেকে ছয় রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এই মেয়াদ শেষ হলেই রাজ্যসভায় যাবে অন্তত একজন বিরোধী সাংসদ। বর্তমান অঙ্ক অনুযায়ী, ছয় সাংসদের মধ্যে পাঁচজন নির্বাচিত হবে শাসক দলের। বাকি একটা জায়গা নিয়ে লড়াই। এই একটি জায়গায় প্রার্থী হতে পারে কংগ্রেস বা বামফ্রন্টের। আবার এবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে দুই দল একযোগে প্রার্থী দিল। অর্থাৎ জোটের প্রার্থী হল এবার।

রাজ্যসভায় নির্বাচিত হতে গেলে একজন প্রার্থীকে সর্বনিম্ন ৪৯ ভোট পেতে পারে। বাম ও কংগ্রেসের হাতে যে সংখ্যা আছে, তা প্রয়োজনের থেকে বেশি। কিন্তু তাঁদের প্রত্যেকের ভোট বাম-কংগ্রেসের দিকে আসবে কি, তা নিয়েই সন্দেহ। পরিসংখ্যান বলছে, কংগ্রেসের হাতে আছে ৪০ জন বিধায়ক, বামেদের ৩০ জন। কিন্তু তাঁদের অনেকেই আবার পাড়ি দিয়েছে অন্য দলে। কেউ তৃণমূলে, কেউ বিজেপিতে। তাই সম্পূর্ণ শক্তি নিয়ে লড়তে পারবে না কংগ্রেস-বামেরা। তবে তাঁদের যৌথভাবে ৪৯টি ভোট পেতে কোনও অসুবিধা হওয়ার নয়।

উল্লেখ্য, ওই আসনে রাজ্যসভার সাংসদ রয়েছেন সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বামফ্রন্টের দাবি, আমরা আশাবাদী কংগ্রেস সমর্থন করবে বাম প্রার্থীকে। রাজ্যসভার ভোটে বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী জয় পেলে বিধানসভা ভোটে তা ফলদায়ক হবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+