পঞ্চায়েতে অনাস্থা দলেরই, আস্থা ভোটে হেরে গোষ্ঠীসংঘর্ষ বাসন্তীতে, মৃত ১
বৃহস্পতিবার বাসন্তীর কাঁঠালবেড়িয়ার গ্রাম পঞ্চায়েতে আস্থা ভোট ছিল। সেই ভোট মিটে যাওয়ার পরই রণক্ষেত্র এলাকা।
পঞ্চায়েতে আস্থা ভোটের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই গোষ্ঠীসংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলে চলল গুলি। গুলিবিদ্ধ হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মিঠুন দাস। তিনি তৃণমূলকর্মী বলেই এলাকায় পরিচিত। এছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায়।
শুক্রবার সকাল থেকেই দফায় দফায় বোমা ও গুলির লড়াই শুরু হয়। বাসন্তীর খাঁ পাড়া উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সন্ধা পর্যন্ত বোমা-গুলির লড়াই চলতে থাকে। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরালো ছিল যে, পুলিশ পর্যন্ত ঢুকতে পারেনি এলাকায়। বিকেল বিশাল পুলিশ বাহিনী ঢোকে ওই গ্রামে। তারপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করে। মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য।

বৃহস্পতিবার বাসন্তীর কাঁঠালবেড়িয়ার গ্রাম পঞ্চায়েতে আস্থা ভোট ছিল। প্রধান সাবানা সর্দারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল সদস্যরা। সাবানা সর্দার ছিলেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি আবদুল মান্নান গাজীর অনুগামী। তাঁকে ১৬-০ ব্যবধানে পরাস্ত করে প্রধান পদে নির্বাচিত হল তৃণমূলেরই বুলা নাসরিন। তিনি বিধায়ক গোবিন্দ নস্করের অনুগামী ব্লক যুব সভাপতি আমানুল্লা লস্করের স্ত্রী।
এই গ্রাম পঞ্চায়েতের দখলের লড়াই এদিন সংঘর্ষে পরিণত হয়। বাসন্তীর খাঁ পাড়া হয়ে ওঠে রণক্ষেত্র। তা নিয়ে নিজেদের মধ্যেই গুলি-বোমার লড়াউই চলতে থাকে। একটি গুলি লাগে বিধায়ক অনুগামী মিঠুন দাসের গায়ে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।












Click it and Unblock the Notifications