বন্ধুদের বিশ্বাসের চরম মূল্য দিতে হল কিশোরীকে! টোপ দিয়ে গণধর্ষণ
বন্ধুদের বিশ্বাসের মুল্য দিতে হল কিশোরীকে। বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে গণধর্ষণ করা হয় তাকে।
বন্ধুদের সঙ্গে বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হল এক কিশোরী। নদীর ধারে একটি ঝোপ থেকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে। বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের একটি হাসপাতালে ভর্তি সে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পাঁচ বন্ধুর নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্তরা।

হাসনাবাদের দক্ষিণ ভেবিয়ার বাসিন্দা ওই কিশোরী ভেবিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। পড়াশোনায় বেশ ভালো। ইউসুফ ছিল তার স্কুলের প্রিয় বন্ধু। শুক্রবার সন্দেশখালির কানমারি নদীতে বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে যাওয়ার জন্য তাকে ডাকতে গিয়েছিল ইউসুফই। তার সঙ্গে ছিল আরও চার বন্ধু। ইউসুফের অনুরোধ ফেলতে পারেনি একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী।
বাবা-মা কাজ করেন ইটভাটায়। তাঁরা কেউ বাড়ি ছিলেন না। সেইসময়ই বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে যায় ছাত্রীটি। সে শুধু জানায়, বাবা-মা ফিরে আসার আগেই বাড়ি ফিরতে হবে তাকে। কিন্তু বন্ধুদের অন্য অভিসন্ধি ছিল। তাই আর বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে না গিয়ে তাকে জোর করে নদীর ধারে নির্জন ঝোপে টেনে নিয়ে যায়। তারপর পাঁচজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে।
ছাত্রীটির করুণ আর্তি কেউ শুনতে পায়নি। রক্তাক্ত অবস্থায় ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখেই বন্ধুরা পালিয়ে যায়। সারারাত সেখানেই পড়েছিল ওই কিশোরী। রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের কোনও হদিশ পায়নি বাবা-মা। সকালে স্থানীয়রাই দেখতে পায় ঝোপের মধ্যে ওই ছাত্রীটিকে পড়ে থাকতে। তাকে মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই ছাত্রীর অভিযুক্ত বন্ধুরা সবাই ঘটনার পর থেকেই পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications