তৃণমূল-নির্দল মিশলেও পঞ্চায়েতে হিংসার ধারাবাহিকতা অব্যাহত, ইসলামপুরে মৃত্যু কর্মীর
পঞ্চায়েতে হিংসার ধারাবাহিকতা চলছেই। পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা থেকে শুরু, হিংসার শেষ হয়নি এখনও। ফলাফল বেরিয়ে যাওয়ার পরও সমানে চলছে অশান্তি।
পঞ্চায়েতে হিংসার ধারাবাহিকতা চলছেই। পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা থেকে শুরু, হিংসার শেষ হয়নি এখনও। ফলাফল বেরিয়ে যাওয়ার পরও সমানে চলছে অশান্তি। এখনও রক্ত ঝরছে। পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর। তৃণমূলের গোষ্ঠী-সংঘর্ষে মৃত্যু হল একজনের।

বোর্ড গঠনেও হিংসার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে ইসলামপুর। প্রধান নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই বিতর্ক দানা বাঁধে। কে হবেন প্রধান, তা নিয়ে দ্বূন্দ্ব তৃণমূলের অন্দরে। শুরু হয় বোমাবাজি। দু-পক্ষের সংঘর্ষ। এই হিংসার ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরও ১০ জন গুরকুতর জখম হয়েছেন।
এরপরই বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয় এলাকায়, নামানো হয় র্যা ফ, কমব্যাট ফোর্স। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে। ইসলামপুরের পণ্ডিতপোতা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন স্থগিত করে দেওয়া হয়। এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এই গ্রাম পঞ্চায়েতে মূল লড়াই ছিল তৃণমূল ও নির্দলের মধ্যে। তাদের মধ্যেই সংঘর্ষ বাধে।
ইসলামপুরের এই গ্রাম পঞ্চায়েতে ১১টি আসন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৬ জন ও নির্দলের পাঁচজন প্রার্থী বিজয়ী হয়। নির্দল সদস্যরা পরে তৃণমূলে যোগ দেন। এবার লড়াই কে প্রধান হবেন। তা নিয়েই ফের দু-ভাগ তৃণমূল। শনিবার বোর্ড গঠন নির্ধারিত ছিল। শুক্রবার রাত থেকেই বোমাবৃষ্টি শুরু হয়। ইট-পাথরের মতো বোমাও পড়তে থাকে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম লাল মহম্মদ (৪৫)। তিনি জয়ী নির্দল সদস্য সঞ্জিদা নাজের আত্মীয়। বাকি আহতদের চিকিৎসা চলছে ইসলামপুর হাসপাতালে। এদিকে ইসলামপুর ব্লক প্রশাসন বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া স্থগিত করে দিয়েছে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। টহল চলছে।












Click it and Unblock the Notifications