দিলীপকে টের পাওয়াতেই পরিকল্পিত বিক্ষোভ বিজেপির! ভাইরাল অডিও ক্লিপে উত্তাল রাজনীতি
দিলীপকে টের পাওয়াতেই পরিকল্পিত বিক্ষোভ বিজেপির! ভাইরাল অডিও ক্লিপে উত্তাল রাজনীতি
ভোট মিটেছে উত্তাপ কমেনি। হুগলিতে বিজেপির কার্যালয়ে গিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এরপর এমনই একটা অডি ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে যে, তাতে স্পষ্ট দিলীপ ঘোষকে টের পাওয়াতেই বিজেপি নেতা-কর্মীরা পরিকল্পনা করেছিল বিক্ষোভের।

দিলীপ ঘোষের সামনে বিক্ষোভের পরিকল্পনা অডিও ক্লিপে
ওই অডিও ক্লিপে এক বিজেপি নেতার সঙ্গে এক বিজেপিকর্মীর কথোপকোথন শোনা যায় বলে প্রকাশ। সেখানেই দিলীপ ঘোষের সামনে বিক্ষোভের পরিকল্পনার কথা হয় দুই নেতা-কর্মীর মধ্যে। যদিও অডিএ ক্লিপটি বেঙ্গলি ওয়ানইন্ডিয়ার তরফে পরীক্ষা করে দেখা হয়নি। তবে অডিওতে যে কন্ঠস্বর ভেসে আসছে, তা বিজেপি নেতা সুবীর নাগ ও বিজেপি কর্মী বিষ্ণু চৌধুরীর বলে মনে করা হচ্ছে।

পরিকল্পনা মতোই দিলীপ ঘোষের সামনে বিক্ষোভ
যদিও বিজেপি নেতা সুবীর নাগ অস্বীকার করেছেন বিষয়টি। তিনি বলেন, এই কণ্ঠস্বর তাঁর নয়। এই ঘটনায় চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছেন তিনি। তবে উভয়ের কথোপকোথনে প্রকাশ পেয়েছে দিলীপ ঘোষের সামনে বিক্ষোভের পরিকল্পনা। পরিকল্পনা মতোই দিলীপ ঘোষের সামনে বিক্ষোভ হয়।

দিলীপদার সামনে বিক্ষোভ করতে হবে, অডিওতে প্রকাশ
৪ জুন দিলীপ ঘোষ শ্রীরামপুর ও হুগলি সাংগঠনিক জেলায় বৈঠক করতে গিয়েছিলেন। শ্রীরামপুর জেলায় নির্বিঘ্নে বৈঠক হয়। হুগলি জেলার বৈঠকে চুঁচুড়া পার্টি অফিসে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেই বিক্ষোভের পরিকল্পনাই শোনা যায় অডিও ক্লিপে। সেখানে বিজেপি নেতাকে কর্মীর উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, দিলীপদার সামনে বিক্ষোভ করতে হবে।

কণ্ঠস্বর নিয়ে বিতর্ক থাকলেও হুগলি বিজেপিতে অসন্তোষ ছিলই
স্পষ্ট কথায় বিজেপি নেতা নির্দেশ দেন, দিলীপদার সামনে বিক্ষোভ করে টের পাওয়াতে হবে। এমন কিছু করতে হবে যাতে দিলীপদা বুঝতে পারেন নেতা-কর্মীদের অসন্তোষের বার্তা। এই অডিও ক্লিপে কার কণ্ঠস্বর শোনা গিয়েছে তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এ কথা স্পষ্ট যে হুগলি বিজেপিতে অসন্তোষ ছিল।

সবকটি আসনে হারের পর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বিজেপির
বিজেপি নেতা সুবীর নাগের কথায়, হুগলির সাতটি বিধানসভার মধ্যে আমরা পাঁচটিতে এগিয়েছিলাম লোকসভার ভোটে। এবার সবকটিতেই হেরেছে বিজেপি। তারপর প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ ছিলই দলের অন্দরে। হারের পর তা বেড়েছে আরও। সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিয়েও যে অসন্তোষ ছিল তা প্রকট হয়েছে বিজেপির অন্দরে।












Click it and Unblock the Notifications