প্রাথমিকে ৭১ জনকে দু'মাসের মধ্যে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের
দু'মাসের মধ্যে ৭১ জনকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। গত কয়েকদিন আগেই প্রাথমিকে প্রায় ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি। যা নিয়ে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে।
আর এর মধ্যেই ফের বড় নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। যা বড় সাফল্য হিসাবেই দেখছেন চাকরি প্রার্থীরা। আজ বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ প্রার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করেছে। আর তাই আগামী দুমাসের মধ্যেই ৭১ জনকে চাকরি দিতে হবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত সুত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে হাওড়া জেলার জন্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সেই মতো ২০১০ সালের ২২ এপ্রিল সেই মতো বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়। কিন্তু তৃণমূল সরকার সেই প্রক্রিয়াটি বাতিল বলে ঘোষণা করে। শুধু তাই নয়, বেআইনি বলেও ঘোষণা করা হয়। আর সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন চাকরিপ্রার্থীরা। মামলার শুনানিতে চাকরি নেওয়ার নির্দেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সেই মতো ২০১৪ সালে লিখিত পরীক্ষা হয়। অ্যাপটিউড টেস্টও নেওয়া হয়। প্রায় ১২০০ মতো শূন্যপদের জন্যে এই নিয়োগ করা হয়।
যদিও নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সুব্রত জানা,সুব্রত রক্ষীত সহ একাধিক প্রার্থী। সেখানে অযোগ্যদের নিয়োগ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করা হয়। আদালতকে তারা জানায় যে, যাদের কাট অফ মার্কিস নেই, এমনকি লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেনি এমন একাধিককে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। অথচ তারা যোগ্য হওয়ার সত্তেও তাদের নিয়োগ করেনি হাওড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

দীর্ঘদিন ধরে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলে। অবশেষে এই মামলায় দুমাসের মধ্যে ৭১ জনকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। আদালতের স্পষ্ট বার্তা, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ প্রার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করেছে। দীর্ঘ লড়াইয়ে পর এদিনের আদালতের নির্দেশে খুশি চাকরি প্রার্থীরা। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে পর্ষদ। এর মধ্যেই ফের বড় নির্দেশ হাইকোর্টের।












Click it and Unblock the Notifications