সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে খেয়েছিলেন বিষ! ব্রাত্য বসুর হাত ধরেই তৃণমূলের পথে মইদুল সহ পাঁচ শিক্ষিকা
গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করতে দেখা গিয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছে। কখনও আদি গঙ্গার নোংরা জল পেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা তো আবার কখনও দিনের পর দিন অ
গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করতে দেখা গিয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছে। কখনও আদি গঙ্গার নোংরা জল পেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা তো আবার কখনও দিনের পর দিন অনশন চালিয়ে যাওয়া।

লাগাতার আন্দোলনের কারনে উত্তরবঙ্গে বদলি করে দেওয়া হয়েছিল আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। আর এই ঘটনার প্রতিবাদে প্রকাশ্যে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ পর্যন্ত খেয়েছিলেন পাঁচ শিক্ষিকা। যা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়।
সংগঠনের নেতা মউদুলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়। এমনকি রাতে গ্রেফতার করারও চেষ্টা করা হয়। যা নিয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ে। কিন্তু যাদেরকে নিয়ে এত বিতর্ক তারাই এবার কি নাম লেখাতে চলেছে শাসকদলে। এমনটাই সূত্রে খবর।
জানা যাচ্ছে, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন মইদুল ইসলাম। শুধু তিনি একা নন, তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন 'শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চে'র বহু সদস্যই। এমনকি প্রকাশ্যে যে পাঁচ শিক্ষিকা সরকারের বিরুদ্ধে বিষ খেয়েছিলেন প্রকাশ্যে তারাও যোগ দিচ্ছেন শাসকদলে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী রবিবারেই তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিচ্ছেন মইদুল সহ একাধিক শিক্ষক সংগঠনের সদস্য। ডায়মন্ডহারবারে এই যোগদান পর্ব হবে বলে খবর।
মূলত 'শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চের কারনে একাধিকবার অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে তৃণমূল সরকারকে। এমনকি এই সংগঠনের সদস্যদের লাগাতার আন্দোলনের মুখে পড়তে হয় খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেখানে দাঁড়িয়ে সরকার বিরোধী এই সংগঠনের মূল কান্ডারিকেই ঘরে তুলে নিল তৃণমূল। যা কিনা তৃণমূলের মাস্টারস্ট্রোক হিসাবেই দেখছে রাজনৈতিকমহল।
জানা যায়, রাজ্যের মোট ১৩টি শিক্ষক সংগঠনকে এক জায়গাতে নিয়ে আসা হয়েছিল। নাম দেওয়া হয়েছিল 'শিক্ষক ঐক্য মুক্তি মঞ্চ'।
এক সংবাদমাধ্যমে সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মইদুল জানিয়েছেন, গোটা রাজ্যে এক লক্ষেরও বেশি সদস্য-সমর্থক রয়েছেন তাঁদের। আগামী রবিবার সকলেই তৃণমূলে যোগ দেবে। তবে প্রতীকী হিসেবে প্রতি জেলা থেকে ১০ জন করে শিক্ষক যোগদান মঞ্চের অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন। তবে মইদুলের মতো শাসকবিরোধী নেতার তৃণমূলে যোগ ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক।
বিরোধিদের একাংশের দাবি, ভয় দেখিয়ে তাঁদের জোর করে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর প্রভাব ভোট বাক্সে নিশ্চয় পড়বে। অন্যদিকে এই সংগঠনের সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলাগুলির ভবিষ্যৎ নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications