রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পাঁচ পর্যবেক্ষকই করোনা আক্রান্ত! সভায় জমায়েত রুখতে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত
রাজ্য নির্বাচন কমিশনেও করোনার থাবা! আগামী ২২ জানুয়ারি চার পুরসভায় ভোট হবে। ভোট হবে আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর এবং চন্দননগরে। করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে ভোট হবে তা নিয়ে জোর চর্চা চলছিলই। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট ভা
রাজ্য নির্বাচন কমিশনেও করোনার থাবা! আগামী ২২ জানুয়ারি চার পুরসভায় ভোট হবে। ভোট হবে আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর এবং চন্দননগরে। করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে ভোট হবে তা নিয়ে জোর চর্চা চলছিলই। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে ভোট হবে।
কোভিড বিধি মেনেই ভোট হবে। ইতিমধ্যে কোভিড গাইডলাইনও প্রকাশ করা হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে। তবে সেই বিধিতে বেশ কিছু বদল আনার ভাবনা কমিশনের। বিশেষ করে শাসকদল সহ সমস্ত রাজনৈতিকদলের প্রার্থীরা যেভাবে করোনা বিধিকে অমান্য করেই প্রচার করছে তাতে উদ্বিগ্ন রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয়, এতে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা চিকিৎসকদের।

একের পর এক করোনা পর্যবেক্ষক আক্রান্ত
খোদ রাজ্য নির্বাচন কমিশনেই করোনার আঘাত। চার পুরসভায় ভোটের জন্যে ১২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল কমিশনের তরফে। কিন্তু ১২ জনের মধ্যে পাঁচজনই করোনা আক্রান্ত বলে জানা যাচ্ছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকেই এই পাঁচজনের চার পুরসভায় কাজ বুঝে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষবেলায় এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে কমিশন। যদিও জানা যাচ্ছে ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে আরও পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

বিপর্যয় আইনে মামলা
অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে প্রার্থীরা কোভিড বিধি মানছে না। সম্প্রতি আসানসোলে তৃণমূল প্রার্থী একেবারে ঢাক ঢোল বাজিয়ে প্রচার করছেন, এমন ছবি সামনে এসেছে। আর এই ঘটনায় ইতিমধ্যে বিস্তারিত তথ্য তলব করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কোভিড বিধি যদি প্রার্থীরা না মানে তাহলে বিপর্যয় আইনেও মামলা করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। এছাড়াও বেশ কিছু কোভিড বিধিতেও বদল আনা হচ্ছে।

জমায়েত কমাতে কড়া কমিশন
নির্বাচনী সভায় জমায়েত কমানোর ভাবনা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। আগে খোলা মাঠে সভা করার ক্ষেত্রে ৫০০ জনে ছাড়পত্র দিয়েছিল কমিশন। সেই সংখ্যাটাই এবার কমানোর ভাবনা। কমিশন সূত্রের খবর, ২০০ জনকে নিয়েই সভা করতে হবে রাজনৈতিকদলগুলিকে। তবে আগের বিধি অনুযায়ী পদযাত্রা, বাইক মিছিল সহ সমস্ত কিছুই বন্ধ থাকবে। এমনকি ডোর টু ডোর প্রচারেও কড়া কোভিড বিধি বেঁধে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক
আজ বুধবার কমিশনের তরফে গুরুত্বপূর্ণ একটা বৈঠক করা হয়। যেখানে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব সহ একাধিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। মুলত চার পুরসভার ভোটে নিরাপত্তা নিয়েই এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। জানা যাচ্ছে, ওই বৈঠকে রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তার উপরেই ভরসা রাখা হয়। এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও প্রয়োজন নেই বলেও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications