বাংলায় উন্নয়ন হলেই দেশের উন্নয়ন! কৃষ্ণনগর থেকে রাজ্যে বিজেপির টার্গেট বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলার বিজেপির জন্য টার্গেট বেঁধেছিলেন ৩৫ টি। আর এদিন কৃষ্ণনগরে বিজেপির সভা তিনি সেই টার্গেটকেও ছাড়িয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিনের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ না করলেও, তৃণমূলকে ছত্রে ছত্রে আক্রমণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন কৃষ্ণনগরে কানায় কানায় পূর্ণ সভা থেকে বলেন, বাংলার উন্নতি হলেই দেশের উন্নতি। তার জন্য তিনি এই রাজ্য থেকে বিজেপিকে ৪২ টি আসনের সবকটিতেই পদ্ম ফোটাতে হবে বলে জানিয়ে দেন। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা প্রয়োজন ২০১৯-এর নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসও ৪২ টির মধ্যে ৪২টি দখলের স্লোগান রেখেছিল। তারপর তারা গিয়ে থামে ২২ টিতে।

দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এবারের নির্বাচনে যদি এনডিএকে ৪০০ পেরোতে হয়, তাহলে বিজেপিকে অবশ্যই ৩৭০ পেরোতে হবে। তারপরেই বাংলায় এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী রাজ্যে বিজেপির জন্য টার্গেট বেঁধে দিলেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন তৃণমূলকে আক্রমণ করতে গিয়ে বলেন, তৃণমূল মানে তু-ম্যায় আউর কোরাপশন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলার মানুষকে আরও গরিব বানিয়ে রাখতে চায় তৃণমূল। তিনি বলেন, তৃণমূল এই রাজ্যে কেন্দ্রের স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করে।

তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস সন্দেশখালির মহিলাদের কথা শোনেনি। প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলার অপরাধীরা সিদ্ধান্ত নেয়, কখন তারা আত্মসমর্পণ করবে।

তৃণমূলকে আক্রমণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মা-মাটি-মানুষ তৃণমূলের কুশাসনে কাঁদছে। তৃণমূল বাংলার মহিলাদের ভোট-ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু, আজ মা-মাটির পাশাপাশি মানুষও তৃণমূলের শাসনে অসন্তুষ্ট। তিনি বলেন, সন্দেশখালির মহিলারা বিচার চেয়েছেন, কিন্তু সরকার তাঁদের কথা শোনেনি। বাংলায় এক অপরাধীকে কখন গ্রেফতার করতে হবে, তা পুলিশ ঠিক করে না, অপরাধীই নিজের জন্য সব কিছু ঠিক করে।

প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়ে বলেন, এখানে দরিদ্র মানুষের জন্য আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু অনুমতি দিতে চায় না সরকার। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য চেষ্টা চালিয়েছে। ২০১৪ সালের আগে রাজ্যে ১৪ টি মেডিক্যাল কলেজ ছিল। দশ বছরে তা বেড়ে ২৬ হয়েছে।

কৃষ্ণনগরে সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে জনসভার মঞ্চ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মোদী যান হুডখোলা জিপে। এইভাবেই শনিবার জনসংযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দুই পাশে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+