Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বাংলায় চতুর্থ দফাতেও অবাধে সন্ত্রাস-রিগিং, ভোট পড়ল ৮২.১৪ শতাংশ

ভোট
কলকাতা, ৭ মে: পশ্চিমবঙ্গে চতুর্থ দফায় ছ'টি লোকসভা আসনে ভোটপর্ব মিটল। ভোট পড়েছে ৮২.১৪ শতাংশ। যে আসনগুলিতে ভোট নেওয়া হল, সেইগুলি হল ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর এবং আসানসোল। ভোট শুরু হয়েছিল সকাল সাতটা থেকে। চলল সন্ধে ছ'টা পর্যন্ত।

গত ৩০ এপ্রিল রাজ্যে তৃতীয় দফার ভোটে অবাধে সন্ত্রাস, রিগিং চালানোর অভিযোগ উঠেছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিরোধীদের চাপে নির্বাচন কমিশন বলেছিল, চতুর্থ দফায় আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। কিন্তু তাদের বাগাড়ম্বরই সার। সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাস চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ দর্শক। কথা থাকলেও অনেক বুথে ছিল না কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার নির্বাচন কমিশন কেন ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছে, বারবার উঠছে সেই প্রশ্ন। পর্যবেক্ষকদের বারবার অভিযোগ জানানো হলেও তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নেননি বলে দাবি করেছেন বাঁকুড়ার সিপিএম জেলা সম্পাদক অমিয় পাত্র থেকে শুরু করে আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু একটি সাংবাদিক বৈঠকে অভিযোগ করেছেন, "পুলিশ পুরোপুরি তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ নিয়ে কাজ করেছে। কোথাও কোথাও রিগিংয়ে মদত দিয়েছে।" ভোট সুষ্ঠু হয়নি, এই অভিযোগ নিয়ে এদিন নয়াদিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ভি এস সম্পতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিপিএম নেতারা। দলের নেতা সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, "আমরা ছ'টি লোকসভা আসনের ৩০১টি বুথে ফের ভোটগ্রহণের দাবি জানিয়েছি।"

এই দফায় ছ'টি আসনে লড়লেন ৭২ জন প্রার্থী। ভোটদাতা হলেন ৮,৮৮৭,১৩৫ জন। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এই ছ'টি আসনেই জয়ী হয়েছিল বামফ্রন্ট।

ঝাড়গ্রাম

এখানে লড়াইটা দ্বিমুখী। তৃণমূল কংগ্রেসের উমা সোরেন বনাম সিপিএমের পুলিনবিহারী বাস্কে। উমা সোরেন স্বল্পপরিচিত হলেও পুলিনবাবু চেনা মুখ। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পুলিনবিহারী বাস্কে জিতেছিলেন ২৯২,৩৪৫ ভোটে। ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রটি মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত এবং পিছিয়ে পড়া এলাকা। মাওবাদীদের দাপট রয়েছে এখানে।

এখানকার নেতাজি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সব দলের এজেন্ট থাকলেও কারও পরিচয়পত্র নেই। প্রিসাইডিং অফিসার সব জেনেও ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ। এ ছাড়া, পোশরা, শালবনি, বৃন্দাবনপুর ইত্যাদি জায়গায় বিভিন্ন বুথে শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টই ছিল। বিরোধী এজেন্টদের ভয় দেখিয়ে, মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর টিকিও দেখা যায়নি। গড়বেতায় অন্তত ৩৩টি বুথ শাসক দলের কর্মীরা দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সিপিএম প্রার্থী পুলিনবিহারী বাস্কে বলেছেন, এই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তত ৫০ শতাংশ বুথে পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন রয়েছে।

সকাল ন'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ২৫ শতাংশ।
সকাল এগারোটা পর্যন্ত ভোটের হার ৪৫ শতাংশ।
দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬৫.৪৮ শতাংশ।
বিকেল তিনটে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৭.৫৬ শতাংশ।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার ৮৭.৮৮ শতাংশ।
সন্ধে ছ'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৮৯.২৫ শতাংশ।

মেদিনীপুর

এখানেও লড়াইটা দ্বিমুখী। একদিকে রয়েছেন সিপিআইয়ের প্রবোধ পাণ্ডা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বাজি রুপোলি পর্দার প্রাক্তনী সন্ধ্যা রায়। 'বাবা তারকনাথ'-এর সুধা ওরফে সন্ধ্যা রায় যখনই যেখানে জনসভা করতে গিয়েছেন, পিলপিলিয়ে মানুষ এসেছে। বিশেষত মহিলাদের আগ্রহ অসীম। কিন্তু ইভিএমে এর কতটা প্রতিফলন পড়বে, সেটাই প্রশ্ন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রবোধ পাণ্ডা হালকা ঘুঁটি নন। এক সময় এই কেন্দ্র থেকে জিততেন সিপিআইয়ের হেভিওয়েট ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত। ২০০১ সালে উপনির্বাচনে জিতে এখান থেকে প্রথম লোকসভায় যান প্রবোধবাবু। তার পর ২০০৪ এবং ২০০৯ সালেও জেতেন। গতবার তিনি জিতেছিলেন ৪৮,০১৭ ভোটে।

সকালেই একটি বুথের কাছে প্রবোধবাবুর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। তাঁকে হেনস্থা করা বলে অভিয়োগ। কেন গাড়িতে 'এমপি স্টিকার' লাগিয়ে ঘুরছেন, সেই ইস্যুতে হেনস্থা করা হয়। প্রবোধবাবু বলেন, তিনি এখনও সাংসদ। তাই এটা তাঁর আইনি অধিকার। তাতে অবশ্য চিঁড়ে ভেজেনি। জোর করে খুলে দেওয়া হয় স্টিকার।

কেশিয়ারির বোসরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭৮ এবং ৭৯ নম্বর বুথে দুপুরের পর থেকে সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরাই ইভিএমে তাদের ভোট দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম এবং কংগ্রেস। তারা এই বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে।

সকাল ন'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ২২ শতাংশ।
সকাল এগারোটা পর্যন্ত ভোটের হার ৪৩.২৩ শতা্ংশ।
দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৬.৯০ শতাংশ।
বিকেল তিনটে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৬৯.৩৫ শতাংশ।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার ৮১.৪৫ শতাংশ।
সন্ধে ছ'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৮৫.৮১ শতাংশ।

পুরুলিয়া

এখানে দুই যুযুধান পক্ষ হল তৃণমূল কংগ্রেস ও ফরওয়ার্ড ব্লক। ফরওয়ার্ড ব্লকের নরহরি মাহাত ২০০৬ সালে উপনির্বাচনে জিতে প্রথম লোকসভায় যান। ২০০৯ সালেও জেতেন, যদিও খুব সামান্য ব্যবধানে। মাত্র ১৯,৩০১ ভোটে। প্রতিদ্বন্দ্বী তথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মৃগাঙ্ক মাহাতও আনকোরা। পিছিয়ে পড়া এবং মাওবাদী-অধ্যুষিত এলাকা। 'জঙ্গলমহল হাসছে', মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই স্লোগানকে হাতিয়ার করে লড়ছেন মৃগাঙ্কবাবু। কংগ্রেসের নেপাল মাহাত কিছুটা ভোট কাটবেন বলে অনুমান।

পুরুলিয়া সদরের ১৮৩ নম্বর বুথে রাজ্য পুলিশের এক এএসআই এসে নজরদারি চালাচ্ছিলেন সকালে। তাঁকে বেরিয়ে যেতে বলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কিন্তু তিনি কথা না শোনায় বচসা শুরু হয়। শেষে নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক এসে ওই এএসআই-কে বেরিয়ে যেতে নির্দেশ দেন। এদিন ভোট চলার সময় ঘাটবেড়া পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মণিকা মাহাত একটি বুথে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। জোড়া ফুলে ছাপ দিতে ভোটারদের নির্দেশ দিচ্ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বিরোধীরা হইহল্লা শুরু করলে তিনি চলে যান। একইভাবে, পুরুলিয়ার বড়বাগানের ২৪৬ নম্বর বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য মধু দাস ঢুকে পড়েন। তিনি বুথের ভিতরে দাঁড়িয়ে ভোটের 'তদারকি' করছিলেন। এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হতেই তিনি বুথ ছেড়ে চলে যান।

সকাল ন'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ২৪ শতাংশ।
সকাল এগারোটা পর্যন্ত ভোটের হার ৪৬.২৫ শতাংশ।
দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬৩.৩৪ শতাংশ।
বিকেল তিনটে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৪.৭৮ শতাংশ।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার ৭৮.১৫ শতাংশ।
সন্ধে ছ'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৮২.৫৪ শতাংশ।

বাঁকুড়া

ওজনদার আসন বলা চলে। কারণ এখানে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের তনয়া মুনমুন সেনকে। তাই বলে বিপক্ষ অর্থাৎ সিপিএমের বাসুদেব আচারিয়া যে ফুৎকারে উড়ে যাবেন, এটা মনে করার কোনও কারণ নেই। ১৯৮০ সাল থেকে টানা জিতে আসছেন বাসুদেববাবু। ১৯৮৪ সালের কংগ্রেস-হাওয়া কিংবা ২০০৯ সালের মমতা-হাওয়া, কোনও কিছুই তাঁর দুর্গ টলাতে পারেনি। গতবারের লোকসভা ভোটে যখন সারা রাজ্যে ঘাসফুল ফুটেছিল, তখনও বাসুদেববাবু জিতেছিলেন ১০৭,৮০২ ভোটে। এখানে বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার কিছুটা বেগ দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ কিছুদিন আগে সভা করে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। তবে সুভাষবাবুর জেতার আশা ক্ষীণ। প্রসঙ্গত, এই বাঁকুড়া আসনের অন্তর্গত গ্রামীণ এলাকায় এখনও মাওবাদীরা সক্রিয় আছে বলে খবর।

এই লোকসভা আসনের অন্তর্গত মেজিয়ার শ্যামপুরের একটি বুথে সিপিএম এজেন্টকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে সেখানে যান বাসুদেব আচারিয়া। এজেন্টকে বুথে বসিয়ে যখন বেরোচ্ছেন, তখন তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। পুলিশ থাকলেও তারা হাত গুটিয়ে বসেছিল। শেষে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে বাসুদেববাবুকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি, তালড্যাংরায় কিছু বুথে তৃণমূল কংগ্রেস রিগিং করেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মানুষ।

সকাল ন'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ২৩ শতাংশ।
সকাল এগারোটা পর্যন্ত ভোটের হার ৪৭.১৬ শতাংশ।
দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬১.৩৬ শতাংশ।
বিকেল তিনটে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭২.৬৩ শতাংশ।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার ৮০.৫৫ শতাংশ।
সন্ধে ছ'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৮১.৩৭ শতাংশ।

বিষ্ণুপুর

এখানে দ্বিমুখী লড়াই হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সৌমিত্র খান বনাম সিপিএমের সুস্মিতা বাউড়ি। ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে সুস্মিতাদেবী জিতেছিলেন ১২৯,৩৬৬ ভোটে। তার আগে ২০০৪ সালেও তিনি এখান থেকে বিপুল ভোটে জেতেন। সিপিএম আত্মবিশ্বাসী, এবারও তারা এই আসনটি ধরে রাখতে পারবে।

এই লোকসভা আসনের অন্তর্গত খণ্ডঘোষের ১৪৩ নম্বর বুথে ইভিএমের পাশে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্ট দাঁড়িয়ে ছিল বলে অভিযোগ। প্রিসাইডিং অফিসারের আপত্তি সত্ত্বেও চলেছে এই অনিয়ম। এ ছাড়া, কুলে গ্রামে সিপিএমের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় তৃণমূল কর্মীদের। গুরুতর জখম হয়েছেন অন্তত ১০ জন। বিষ্ণুপুরে ১২০টি বুথে পুনর্নির্বাচন দাবি করেছেন বাঁকুড়ার সিপিএম জেলা সম্পাদক অমিয় পাত্র। এই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বড়জোড়ার পখন্যা, তাজপুর, মালাচর এবং মালিয়ারা এলাকা থেকে বুথ দখল, ভোটারদের ভয় দেখানো ইত্যাদি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

সকাল ন'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ২৪ শতাংশ।
সকাল এগারোটা পর্যন্ত ভোটের হার ৪৪.৪২ শতাংশ।
দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬২.৮০ শতাংশ।
বিকেল তিনটে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৫.৮৯ শতাংশ।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার ৮৫.২১ শতাংশ।
সন্ধে ছ'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৮৭.২১ শতাংশ।

আসানসোল

স্পষ্টভাবে এখানে লড়াইটা ত্রিমুখী। তৃণমূল কংগ্রেস বনাম সিপিএম, হালে সংযোজন বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী দোলা সেন। দলের শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী। সিপিএমের টিকিটে লড়ছেন বংশগোপাল চৌধুরী। ২০০৫ সালে উপনির্বাচনে জিতে প্রথম লোকসভায় যান বংশগোপালবাবু। তার আগে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৯ সালে জেতেন ৭২,৯৫৬ ভোটে। এবার হয়তো অনায়াসে জিততে পারতেন, কিন্তু শেষবেলায় ঘুম কেড়ে নিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। তার ওপর, নরেন্দ্র মোদী এখানে জনসভা করে যাওয়ায় যে রকম সাড়া পড়েছে, তাতে চাপ বেড়েছে বাকি দুই দলেরই। বিজেপি বাংলা থেকে যে ক'টি আসন জেতার আশা রাখছে, সেই তালিকায় রয়েছে আসানসোল।

এখানে বিভিন্ন জায়গায় ভোটারদের ভোট দিতে যেতে নিষেধ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, এমনই অভিযোগ তুলেছেন বাবুল সুপ্রিয়। রাণীগঞ্জের একটি বুথ থেকে বিজেপি এজেন্টকে বেধড়ক মেরে বের করে দিল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। প্রহৃত ব্যক্তির নাম রাজা মুখোপাধ্যায়। এ ছাড়া, পাণ্ডবেশ্বরের ডাঙ্গালপাড়ায় ভোট দিতে যাওয়ায় তিন প্রতিবন্ধী মহিলাকে নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠল। কাঠগড়ায় সেই তৃণমূল কংগ্রেস। এই আসনের অন্তর্গত জামুরিয়ার পুরনো জামশোল এলাকায় ভোট দিয়ে ফেরার পথে আক্রান্ত হলেন দুই সিপিএম সমর্থক। তাদের রাস্তায় ফেলে লাঠিসোটা দিয়ে পেটাল তৃণমূল কংগ্রেস, এমনই অভিযোগ। এ ছাড়া, জামুরিয়ার ৭৮,৮০ এবং ৮৬ নম্বর বুথগুলি শাসক দল সকাল থেকেই দখল করে নিয়েছিল। বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় অভিযোগ জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে।

এদিন দুপুরে বার্নপুরে তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিএমের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। পুলিশ লাঠি চালিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। দু'দলের উত্তেজিত সমর্থকরা দোকানপাট, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দোলা সেনের পাল্টা অভিযোগ, কুলটির ডিসেরগড়ে তাঁর দলের একজন কর্মীকে মাথায় গুলি করার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে সিপিএম। যদিও সিপিএম প্রার্থী বংশোগোপাল চৌধুরী বলেছেন, "এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। এটা ব্যক্তিগত বিবাদ মাত্র।"

<blockquote class="twitter-tweet blockquote" lang="en"><p>Why Anubrata Mondal a murder accused been allowed to camp @ Asansol to inciting violence <a href="https://twitter.com/search?q=%23electioncommission&src=hash">#electioncommission</a> must <a href="https://twitter.com/search?q=%23StopVoteLoot&src=hash">#StopVoteLoot</a> in Bengal</p>— CPIM_WESTBENGAL (@CPIM_WESTBENGAL) <a href="https://twitter.com/CPIM_WESTBENGAL/statuses/463928121390276608">May 7, 2014</a></blockquote> <script async src="//platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

সকাল ন'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ২২ শতাংশ।
সকাল এগারোটা পর্যন্ত ভোটের হার ৪৪.২৩ শতাংশ।
দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬০.৪৮ শতাংশ।
বিকেল তিনটে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৬৯.৭৬ শতাংশ।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার ৭৫.৪৭ শতাংশ।
সন্ধে ছ'টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৭.২১ শতাংশ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+