21 July Shahid Diwas: বিদ্রোহে ইতি! একুশের মঞ্চে প্রথম সারিতে শুভাপ্রসন্ন, হাতও মেলালেন মমতা
বিদ্রোহে ইতি পড়ল অবশেষেষ মাস কয়েক ধরেই বেসুরো শোনা যাচ্ছিল শিল্পী শুভাপ্রসন্নকে। কিন্তু সব বিতর্ক দূরে সরিয়ে তিনি এলেন একুশের মঞ্চে। বসলেন প্রথম সারিতেই। আর শিল্পী শুভাপ্রসন্নকে দেখে এগিয়ে গেলেন মমতা, হাতও মেলালেন তিনি।
ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করছিলেন শুভাপ্রসন্ন। তৃণমূল নেতারা তাঁকে পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তারপরও একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে তাঁর হাজির হওয়া তাৎপর্যপূর্ণ। শুধু হাজিরই হলেন না, প্রথম সারিতে বসে মন দিয়ে শুনলেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ।

২০১১ সালে চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে একজন। কিন্তু পরিবর্তনের এতদিন পর তালটা কেটে যাচ্ছিল মাঝেমধ্যেই। কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি ভোট হিংসাতেও তিনি তৃণমূলের সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন।
এমনকী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও তিনি গর্জে ওঠেন। তারপর ডিগবাজি খান। আর এদিন একুশের মঞ্চে এসে হাজির শিল্পী। বুদ্ধিজীবীদের একাংশের মধ্যে তিনি বরাবরই ঘনিষ্ঠ বৃত্তে ছিলেন মমতার। সেই শুভাপ্রসন্নের মুখে সমালোচনা সহ্য করেনি তৃণমূল। তাঁকে পাল্টা দিয়েছেন।

তিনি বলেছিলেন, মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল। তাই আমরা মমতাকেই বলেছিলান। কারণ মমতা ছাড়া আর কেউ ছিল না। তারপর তিনি পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা নিয়ে বলেছিলেন, এমন ভোটে হিংসা কোথাও হয় না। গণতন্ত্রের উৎসবে এত মৃত্যু! সেই সংস্কৃতির বদল দরকার। এই বাংলায় আবার পরিবর্তনের দাবিতে মিছিল করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।
এরপর তিনি ডিগবাজি খেলেন। একুশরে সভার কিছুদিন আগেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে ফের গলা ফাটান। তিনি বলেন, রুদালি নয় যে কথায় কথায় পথে নামব। রাস্তায় নামার সময় এখনও আসেনি। তারপর এদিন ধর্মতলায় তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ার সভাস্থলে হাজির তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর উপস্থিতিতে স্বাগত জানালেন।












Click it and Unblock the Notifications