Jibantala PS: জীবনতলায় গুলির পাহাড়! ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারে কলকাতা কানেকশন, লালবাজারের নাকের ডগায় কী হত?
Jibantala PS: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলায় গুলির পাহাড়! বেঙ্গল এসটিএফের (Bengal STF) অভিযানে উদ্ধার ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ (Cartridge)। শনিবার সকালে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ওই বিপুল পরিমাণ কার্তুজ। ১৯০ রাউন্ড কার্তুজের পাশাপাশি সেভেন এমএম পিস্তল, একটি ডবল ব্যারেল বন্দুকও উদ্ধার করেছে এসটিএফ। গ্রেফতার করা হয়েছে ৪ জনকে।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জীবনতলা থানার ঈশ্বরীপুর এলাকায় হানা দেয় রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। উজিরের মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় রশিদ মোল্লা নামে এক অভিযুক্তকে। পেশায় মাছ ব্যবসায়ী ওই অভিযুক্ত অস্ত্র কারবারে জড়িত বলে অভিযোগ। এছাড়াও হাসনাবাদ থেকে আশিক ইকবাল গাজী ও আব্দুল সেলিম গাজিকে গ্রেফতার করে এসটিএফ।

নদিয়ার শান্তিপুরের বাসিন্দা জয়ন্ত দত্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাচক্রে এই জয়ন্ত আবার কলকাতার অস্ত্র বিপণন দোকানের কর্মী। রাজ্যজুড়ে সাম্প্রতিক ঘটা একের পর এক শুটআউটের ঘটনায় তদন্তে নেমে অস্ত্র কারবারের পর্দাফাঁস করে পুলিশ। কীভাবে দুষ্কৃতীদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে অস্ত্র গুলি? বড় কোনও ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল? ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারে সে প্রশ্নও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ।
এদিকে মুঙ্গের বা মুজফ্ফরপুর থেকে আনা বেআইনি অস্ত্র নয়, ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিতেই তৈরি বলে জানিয়েছে পুলিশ। বৈধ অস্ত্র বিপণনী থেকেই কি তবে অস্ত্র পৌঁছচ্ছে? লালবাজারের নাকের ডগায় বিবাদী বাগে ওই অস্ত্রের দোকানেও তদন্তে এসটিএফ। ধৃত চার জনের মধ্যে একজন ওই বিপণীর কর্মী। লাইসেন্স ছাড়াই পৌঁছে যাচ্ছিল বৈধ অস্ত্র!
শনিবার বিকেলেই বিবাদী বাগের (BBD Bag) অস্ত্র দোকানে হাজির হন এসটিএফ আধিকারিকরা। দোকান খুলিয়ে সন্ধে বেলা তদন্ত করা হয়। চোরা পথে কি লাইসেন্স প্রাপ্ত দোকান থেকে বুলেট পৌঁছে যেত দুষ্কৃতীদের হাতে?
কোথায় কী কারণে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কার্তুজ সে নিয়ে রয়েছে ধন্দ। মিনাখাঁতেও অভিযান চালানো হয়। গত নভেম্বরেই শিয়ালদহ সুরেন্দ্রনাথ কলেজের অদূরে একটি ডেরা থেকে ৯০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। আর এবার ফের কার্তুজের পাহাড়ের খোঁজ।












Click it and Unblock the Notifications