বাংলাদেশ থেকে ফিরলেন ১৯ জন ভারতীয়, হিলি ও ফুলবাড়ি সীমান্তে শুরু বাণিজ্য
বাংলাদেশের অচলাবস্থার জন্য বন্ধ ছিল সীমান্ত। আমদানি - রফতানি বাণিজ্য আরও একবার স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল৷ এবার উত্তরবঙ্গের ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে শুরু হল পণ্য পরিষেবা৷ শুধু তাই নয়, চেকপোস্ট দিয়ে নাগরিকরাও যথাযথ পরিচয়পত্র নিয়ে যাতায়াত শুরু করেছেন।
দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। বুধবার দুই দেশের নাগরিকরা সেখান দিয়ে পারাপার করেছে। এদিন বাংলাদেশের দিকের সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে খবর।

টাটা প্রজেক্ট লিমিটেডের ১৯ জন কর্মী বাংলাদেশে ছিলেন। এদিন বাংলাদেশ থেকে তারা ভারতে ফিরে এসেছেন। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তারা দেশে আসেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের স্কট করে হিলি স্থলবন্দরে পৌঁছে দিয়ে যায় বলে সূত্রের খবর।
তাদের মধ্যে একজন ব্যান্ডেলের বাসিন্দা।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রফতানি বাণিজ্য প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুদেশেই লোক যাতায়াত করছেন। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ভারত বাংলাদেশের সীমান্তের হিলি স্থল বন্দর। কাঁচামাল জাতীয় পণ্য রফতানি চলছে বলে জানান হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সুদীপ্ত কুমার মন্ডল।
এদিন সকাল থেকে শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়েও শুরু হয়েছে আমদানি ও রফতানি। স্বস্তি ফিরছে ব্যবসায়ী মহলে। এই তিন দিনে অন্তত চার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ব্যবসায়ী মহল সূত্রে এই কথাই জানা গিয়েছে।
গত ৪ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে অচলাবস্থা শুরু হয়। সীমান্ত দিয়ে আমদানি ও রফতানি প্রক্রিয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার। সীমান্ত বন্ধ হতেই লাইন দিয়ে ট্রাক, লরি দাঁড়িয়ে পড়ে।। টানা তিন দিন সীমান্তে গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করেছেন চালকরা।
এদিন সকাল থেকে ফের সীমান্ত দিয়ে শুরু হয় আমদানি রফতানি। কাঁচামাল সহ অন্যান্য পণ্য ছিল গাড়িতে। সেই সব নষ্ট হলে আরও ক্ষতির অঙ্ক বাড়ত। এমন আশঙ্কা করছিলেন ব্যবসায়ীরা। এদিন সকাল থেকে কেবল ভুটানের গাড়ি বাংলাদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications