দুমাসের মধ্যে বাংলাতে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ! বিধানসভায় বড় ঘোষণা ব্রাত্যের
দুমাসের মধ্যে বাংলাতে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ! বিধানসভায় বড় ঘোষণা ব্রাত্যের
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ফের একবার স্বস্তির বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। পুজোর আগেই শিক্ষক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আইনি জটিলতায় তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ফলে থমকেই রয়েছে নিয়োগ প্রক্তিয়া। এই অবস্থায় ফের একবার আশার আলো জাগালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আজ মঙ্গলবার বিধানসভায় অধিবেশনে অংশ নেন তিনি। সেখানেই শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে।
জানা যায়, সেই প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানান, ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হবে। আগামী দুমাসের মধ্যেই এসএসসি'তে এই নিয়োগ হবে। তবে আইনি জট কাটলেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ব্রাত্য বসু। তবে এই বিষয়ে আর বিশেষ কিছু জানাননি তিনি। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় শিক্ষা নীতি নিয়ে এদিন প্রশ্ন তোলেন শিক্ষা মন্ত্রী। একই সঙ্গে এই বিষয়ে কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনাও করেন তিনি। তবে ব্রাত্যের এহেন মন্তব্যে ফের একবার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আশার আলো দেখছেন অসংখ্য পরীক্ষার্থী।

নিয়োগের কথা জানিয়েছিলেন মমতা!
পুজোর আগেই ২৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, পুজো মিটলেও আরও শিক্ষক পদে নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, পুজোর পর আরও ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। রাজ্যের একাধিক স্কুলগুলিতে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষকের অভাব রয়েছে। সেদিকে তাকিয়ে গত মাসখানেক আগে এই বিষয়ে ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এরপরেই দেখা যায় মামলা আদালতে।

একের পর এক মামলা
রাজ্যে শিক্ষক নিয়ে কার্যত ল্যাজে গোবরে অবস্থা শাসকদল তৃণমূলের। একের পর এক মামলা কলকাতা হাইকোর্টে। এমনকি এক একটি মামলাতে রীতিমত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এসএসসিকে অসবসবস্তির মধ্যে পড়তে হয়। এমনকি সম্প্রতি একটি মামলাতে কলকাতা হাইকোর্টে পর্যন্ত হাজিরা দিতে হয় এসএসসি চেয়ারম্যানকে। সব মিলিয় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে রীতিমত একাধিক জটিলতা রয়েছে। ফলে থমকে রয়েছে একাধিক নিয়োগ। এই অবস্থায় কিছুটা হলেও ব্রাত্যের মন্তব্যে আশার আলো।

ক্ষুব্ধ মমতা!
একের পর এক মামলা। থমকে শিক্ষক নিয়োগ। এই নিয়ে আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধায়। এজন্যে বামেদের দায়ি করেনও তিনি। হাইকোর্টের বেশ কয়েকজনের মাতব্বরের কারনে থমকে নিয়োগ। রাজ্যে কর্মসংস্থান হোক, শিক্ষক নিয়োগ হোক তাঁরা চাননা বলেও মন্তব্য করেছিলেন মমতা। এমনকি এই বিষয়ে এসএসসি'র ভূমিকা নিয়েও পপ্রশ্ন তোলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications