অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেও করোনার থাবা! তবে টুর্নামেন্টে প্রভাব পড়বে না বলেই দাবি আয়োজকদের
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেও করোনার থাবা! তবে টুর্নামেন্টে প্রভাব পড়বে না বলেই দাবি আয়োজকদের
সোমবার ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (Australian Open)। তবে তার আগে এক হোটেলকর্মীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে ওয়ার্ম আপ ম্যাচগুলিতে। আজকের সব প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে।

যে হোটেলে খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, অফিসিয়ালরা রয়েছেন সেই হোটেলের এক কর্মীর করোনা (Covid-19) পজিটিভ ধরা পড়ে। মেলবোর্ন গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের ওই কর্মী গত ২৯ জানুয়ারি অবধি হোটেলে কাজ করেছেন। গতকালই তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যার জেরে হোটেলের সকলকেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। আয়োজকদের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আজই দ্রুত সকলের করোনা পরীক্ষা করানো হবে। রিপোর্ট নেগেটিভ না আসা অবধি সকলেই আইসোলেশনে থাকবেন। ওই হোটেলকর্মী কোন কোন খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ ও অফিসিয়ালদের সংস্পর্শে এসেছেন তাও চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। টেনিস অস্ট্রেলিয়া (Tennis Australia)-র তরফে জারি করা বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আজ কোনও ওয়ার্ম আপ ম্যাচ হবে না। শুক্রবার হবে কিনা বা হলেও কোন কোন ম্যাচ হবে তা আজ বিকেলের মধ্যেই জানানো হবে।
সপ্তাহ তিনেক আগেও যে ১৮ট চার্টার বিমানে করে খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, অফিসিয়ালদের আনা হচ্ছিল তাতে চারজনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। একজন খেলোয়াড়ও আক্রান্ত হন। অন্তত ৭২ জন খেলোয়াড়কে তাই দুই সপ্তাহের কঠোর কোয়ারান্টিনে থাকতে হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ ও কোয়ারান্টিনের নিয়ম নিয়ে অনেকেই অসন্তুষ্ট। তবু সব মেনেও ধীরে ধীরে যখন টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হয়েছে তখন ফের এই ধাক্কা। এই খবর পেতেই চিন্তিত খেলোয়াড়রা। অস্ট্রেলিয়ান তারকা নিকোলাস কির্গিয়স টুইটারে লেখেন, মারে রিভার ওপেনে তাঁর বৃহস্পতিবারের ম্যাচ কি হবে? এতেই পরিষ্কার খেলোয়াড়রা কতটা উদ্বিগ্ন। এমনিতেও নোভাক জকোভিচ যখন করোনা পরিস্থিতিতে প্রদর্শনী ম্যাচের আয়োজন করেছিলেন এবং অনেকের করোনা ধরা পড়ে তখন থেকেই তাড়াহুড়ো করার বিরোধী ছিলেন কির্গিয়স। তাঁর কথায়, তাঁর মা অসুস্থ। ফলে টেনিস খেলোয়াড়দের সুরক্ষার বিষয়টিও মাথায় রাখা উচিত।
যদিও টুর্নামেন্ট বাতিলের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে টেনিস অস্ট্রেলিয়ার চিফ এগজিকিউটিভ ক্রেগ টিলে জানিয়ে দিয়েছেন, আজ ড্র হওয়ার কথা থাকলেও তা হবে আগামীকাল। ওই হোটেলকর্মীর পরিবারের বাকি সদস্যরাও আক্রান্ত হননি। সর্বোপরি, খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, অফিসিয়ালরা নিজেদের ঘর থেকে বেরোতেন না। ওই হোটেলকর্মীও কারও ঘরে ঢোকেননি। ফলে যে প্রায় ৫২০ জনের করোনা পরীক্ষা হচ্ছে তাতে তাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ আসার সম্ভাবনাই বেশি। হোটেলে বাকি যাঁরা রয়েছেন সকলেরই করোনা পরীক্ষা করানো হবে। এমনকী অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের জন্য যাঁরা বাইরে থেকে আসবেন সকলের জন্যই ভিক্টোরিয়ান সরকার পর্যাপ্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছে।












Click it and Unblock the Notifications