বৃষ্টির জন্য চাতক পাখির অপেক্ষা, বরুণ দেবের আবাহনে ব্যাঙের বিয়ে দিলেন স্থানীয়রা
প্রবল দহন। চাঁদি ফাটা রোদ আর প্যাচপ্যাচে ঘাম। দম বন্ধ হয়ে আসছে সকলের। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ হয়ে গেল। বর্ষা আসা তো দূরের কথা এখনও পর্যন্ত ছিঁটে ফোঁটা বৃষ্টি পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। যাকে বলে প্রাণ ওষ্ঠাগত দশা। এই পরিস্থিতিতে বরণ দেবের কাছে কাতর প্রার্থনা জানিয়ে ব্যাঙের বিয়ে িদলেন বাসিন্দারা।
বরুনদেবের আরাধনা করে মহাদেব কে সাক্ষী রেখে ব্যাঙের বিয়ে। ঢাক, কাঁসর, উলুধ্বনি দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হল। আগে বলা হত ব্যাঙের বিয়ে দিলে বৃষ্টি হয়। ঠাকুমা-ঠাকুরদার কাছ থেকে সেই গল্প সকলেই শুনেছেন। সেই বিশ্বাসে ভরসা রেখেই ব্যাঙের বিয়ে দিেন বাসিন্দারা।

বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রায় ২০০ জন। পাত পেড়ে ২০০ মানুষ চেটে পুটে খেলেন। মেনুতে ছিল ভাত ডাল, তরকারি, মাংস, দই, মিষ্টি, চাটনি, পাঁপড় । ব্যাঙের আবার বর পক্ষ কোণে পক্ষও তৈরি ছিলেন। আয়োজন দেখে এলাকার মানুষদের চক্ষু চরক গাছ l দুর্গাপুরের অন্যতম প্রাচীন শিব মন্দিরে এই অভিনব ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন করে ছিলেন প্রাক্তন স্থানীয় কাউন্সিলর পল্লব রঞ্জন নাগ। মন্দিরের জলাশয়েই বিয়ের শেষে পুরোহিত ভাসিয়ে দিলেন ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমীকে ।

দুপুর পর্যন্ত চলল খাওয়া দাওয়া। গরমে নাজেহান রাজ্যবাসী। তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে গোটা রাজ্যে। তাই বৃষ্টির খুব প্রয়োজন।এবার বৃষ্টি নামবে অঝোরে এই বিশ্বাস নিয়েই ন নাম্বার ওয়ার্ড নাগরিক কমিটি এই ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন । শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়। উত্তর বঙ্গে পর্যন্ত বেড়েেছ গরমের দাপট। এমনকী দার্জিলিংয়ের পর্যন্ত এসির চাহিদা বাড়ছে। পাহাড়েও গরমে মানুষ টিকতে পারছেন না। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবার।












Click it and Unblock the Notifications