দলীয় বৈঠক থেকে বেরতেই এলোপাথাড়ি গুলি! চোপড়ায় মৃত দুই, আহত বহু
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর সেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের উত্তপ্ত বাংলা। তৃণমূল কর্মীকে গুলি করে খুন। দলীয় বৈঠক থেকে বের হতেই এলোপাথাড়ি গুলি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই তৃণমূল কর্মী। শুধু তাই নয়, ঘটনায় আরও তিন তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। গিয়েছেন জেলা তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বও।

বের হতেই হঠাত করে এলোপাথাড়ি গুলি
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার চুটিয়াখোর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতে। সেখানে আজ বৃহস্পতিবার একটি বৈঠক ডাকা হয় তৃণমূলের তরফে। বুথ কমিটিস্তরে এই বৈঠক হয়। মূলত আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাকে টিকিট দেওয়া হবে তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা ওই বৈঠক শেষ হওয়ার পর বের হতেই হঠাত করে এলোপাথাড়ি গুলি চলতে শুরু করে বলে দাবি স্থানীয়দের। আর তাতে গুলিবিদ্ধ পাঁচজন। যার মধ্যে একজনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। মৃত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম ফইজুল রহমান বলে জানা গিয়েছে। আরও একজনের মৃত্যু হাসপাতালে হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাকি তিনজনের চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও তিন তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে
ঘটনায় আরও তিন তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল সামনে আসছে। মৃত ওই তৃণমূল কর্মীর পরিবারের দাবি, এই ঘটনার পিছনে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। বিরোধী গোষ্ঠী এই কাজ করেছে বলেও দাবি অন্যান্যদেরও। যদিও এই বিষয় ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কে বা কারা এই খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা ইতিমধ্যে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
শুধু তাই নয়, এলাকাতে বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন করে যাতে কোনও ঘটনা না ঘটে সেজন্যে সতর্ক স্থানীয় প্রশাসন। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির দাবি, এখনও পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হয়নি। তার আগেই এমন ঘটনা প্রমাণ করে দিচ্ছে কতটা রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খারাপ। এই অবস্থায় কখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট হওয়া সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে ঘটনায় তৃণমূলের দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। দোষী যেই থাক, রঙ না দেখে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে বলে দাবি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications