India-Bangladesh: কেউ যাবে না...বড় সিদ্ধান্ত বাংলার ব্যবসায়ীদের! মুখ থুবড়ে পড়বে এবার বাংলাদেশের ব্যবসা
India-Bangladesh: ভারত এবং বাংলাদেশ সীমান্তে ক্রমশ বাড়ছে উত্তেজনা! মালদহ, কোচবিহার, বালুরঘাট সহ একের পর এক সীমান্তে বিজিবির বাড়বাড়ন্ত সহ্য করেছে বিএসএফ। ভারতের ভূখণ্ডতে বেড়া দেবে, তাতেও আপত্তি জানিয়েছে সে দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী অর্থাৎ বিজিবি। এই অবস্থায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনারকে তলব করে বার্তাও দিয়েছে মহম্মদ ইউনূস সরকার। যা মোটেই ভালো চোখে নেয়নি ভারত।
বাঁধা আসলেও সীমান্তে দ্রুত বেড়া দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। যা নিয়ে ভারত এবং বাংলাদেশের (India-Bangladesh) উভয় দিকেই চাপা টেনশন কাজ করছে। আর এর মধ্যেই বাতিল হয়ে গেল আন্তর্জাতিক বানিজ্য বৈঠক।

বাংলাদেশের রাজশাহীতে এই বৈঠকের কথা ছিল আগামী সপ্তাহে। সেই মতো প্রস্তুতিও নিতে শুরু করেছিল দুই দেশের বাণিজ্য মহল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিল মালদহ জেলা বণিক মহল।
ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, সুখদেবপুরে উত্তেজনা থাকায় এবং ওপার বাংলায় পরিস্থিতি এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিক না হওয়ায় বানিজ্য বৈঠক বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স এই বিষয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমান অবস্থায় ব্যবসায়ীরা ওপার বাংলায় গেলে তাতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। ফলে বৈথক বাতিল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের তরফে।
ওপার বাংলায় লাগাতার উত্তেজনার কারনে দু'দেশের রফতানি বানিজ্য প্রায় থমকে গিয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীরা। শুধু তাই নয়, রপ্তানিকারকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি। বলে রাখা প্রয়োজন, গত বছরে এই বৈঠক হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এবার বাংলাদেশের রাজশাহীতে হওয়ার কথা ছিল। মালদহের মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে আগামী সপ্তাহে রাজশাহীতে দু'দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল এই বৈঠকের। বাংলার ব্যবসায়ীরা না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন ওপারের ব্যবসায়ীদের।
জানা যায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সীমান্ত দিয়ে আমদানি রফতানি সহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল দুই দেশের মধ্যে। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যে এই বৈঠক আপাতত বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মালদহের এই মহাদীপুর সীমান্ত দিয়ে আগে প্রায় ৫০০ পণ্যবাহি গাড়ি রপ্তানি হত।
কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সীমান্ত দিয়ে মাত্র ৩০০ গাড়ি রফতানি হচ্ছে। পরিস্থিতি যা তাতে আগামীদিনে আরও রফতানি কমে যাবে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। শুধু তাই নয়, র্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের দাবি বাংলাদেশের কিছু নিম্ন মানসিকতার মানুষ সে দেশের মানুষকে উস্কাচ্ছে। যাতে ভারতের পণ্য বয়কট করা হয়। কিন্তু ওরা বুঝতে পারছে না ভারতের গুরুত্ব কতটা?












Click it and Unblock the Notifications