বিমল গুরুংয়ের প্রতিবাদ জারি, ভোট দিলেন না জিটিএ নির্বাচনে! নজরে পাহাড়
বিমল গুরুংয়ের প্রতিবাদ জারি, ভোট দিলেন না জিটিএ নির্বাচনে! নজরে পাহাড়
প্রথম জিটিএ নির্বাচনে বিমল গুরুংয়ের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার হাতেই ছিল জিটিএ-র কর্তৃত্ব। ১০ বছর পর আবার হচ্ছে জিটিএ নির্বাচন। এতদিন তাঁর দলের হাতেই ছিল জিটিএ। কিন্তু এবার সেই জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতা করে ভোটদানে বিরত থাকলেন বিমল গুরুং। নিজের দলের কোনও প্রতীক নেই। তাঁর দল থেকে নির্দল প্রার্থী হলেও গুরুং ভোটদানে বিরত থেকে প্রতিবাদ জারি রাখলেন।

গুরুংয়ের মুঠোও আলগা, নতুনকে বরণ করে নেওয়ার অপেক্ষা
পাহাড়ের মুকুটহীন সম্রাট বিমল গুরুং। জিএনএলএফ সুপ্রিমো সুবাস ঘিসিংয়ের পতনের পর তাঁর হাতেই পাহাড়ের রাজপাট। তিনি নিজেকে পাহাড়ের মুখ্যমন্ত্রীও বলতেন। তবে সেই রামও নেই, সেই রাজত্বও নেই। কালের নিয়মে বিমল গুরুংয়ের মুঠোও আলগা হয়েছে। পাহাড় হাতছাড়া হওয়ার ইঙ্গিত আগে থেকেই ছিল, এবার তা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। ঘিসিং ও গুরুং-কে সরিয়ে নতুন নেতৃত্বকে বরণ করে নেওয়ার পালা পাহাড়ে।

২১০ জন নির্দল প্রার্থী, সমীকরণ ঘেঁটে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট
তবে এবারের জিটিএ নির্বাচনে বিমল গুরুংয়ের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি, বিজেপির জোটসঙ্গী জিএনএলএফ না থাকলেও আছেন ২১০ জন প্রার্থী। এটাই সমীকরণ ঘেঁটে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। বিমল গুরুং তাঁর দলরে তরফে কোনও প্রার্থী দেননি। তিনি নিজেও ভোট প্রচারে নামেননি। নিজে ভোটও দিলেন না। কিন্তু তাঁর দলের নেতারা নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। আবার শাসক দল তৃণমূলের জোটসঙ্গী বলেও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার একটি পক্ষ দাবি করছে।

জিটিএ নির্বাচন থেকে সরিয়ে প্রতিবাদ জারি রাখলেন গুরুং
বিমল গুরুং এবার প্রথম থেকেই নির্বাচনের বিরোধিতা করে আসছিলেন। তা নিয়ে দলের অন্দরে ভিন্নমত থাকলেও, শেষমেশ নিজেকে জিটিএ নির্বাচন থেকে সরিয়ে রেখে প্রতিবাদ জারি রাখলেন তিনি। বিমল গুরুং ভোট না দেওয়ার ঘোষণা করে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁর নিজের অফিসে। সেখান থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর তিনি নজর রাখছেন। অনশন করে যে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গিয়ে সেই আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটলেও তাঁর প্রতিবাদ জারি রইল।

প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করেও গুরুংরা আছেন জিটিএ নির্বাচনে
এখন বিমল গুরুং জিটিএম নির্বাচন থেকে সরিয়ে নেওয়ায় এবার পাহাড়ের মসনদে নতুন কারও উত্থান হওয়ার পথ পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। এখন কে হবেন পাহাড় গড়ার মূল কারিগর? অজয় এডওয়ার্ড না অনীত থাপা। এবার জিটিএ নির্বাচনে তাঁদের মধ্যেই মূল লড়াউ হয়ে চলেছে। অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি ৪৫টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে। আর অনীত থাপার গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা প্রার্থী দিয়েছে ৩৬ আসনে, রয়েছে তৃণমূল প্রার্থীও। এছাড়া পাহাড়ে মোট ২১০ জন নির্দল প্রার্থী রয়েছেন। অর্থাৎ প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করেও আছে বিজেপি, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ও জিএনএলএফ।

গুরুংকে সরিয়ে মসনদ দখলের লড়াইয়ে শামিল অনীত-অজয়
একদিকে পাহাড়ে ভোট স্থগিত রাখার দাবিতে যখন অনশনে বসেছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা প্রধান বিমল গুরুং, অন্যদিকে বিজেপির জোটসঙ্গী জিএনএলএফ হাইকোর্টে মামলা করেছিল জিটিএ নির্বাচন স্থগিত রাখতে । কিন্তু কারও কোনও পরিকল্পনাই খাটেনি।পাহাড়ে শেষপর্যন্ত ভোট হচ্ছে। নির্দিষ্ট দিনেই পাহাড়ে ভোট হচ্ছে। এবারের ভোটে গুরুংকে সরিয়ে মসনদ দখলের লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন অজয় ও অনীত। একইসঙ্গে ভোট হচ্ছে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদে নির্বাচন ৫৬৭টি আসনে এবং রাজ্যে মোট ৬টি পুর-ওয়ার্ডে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications