ভোটের মুখে ফের ভাঙন! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে কয়েকশো পুরোহিত
খুব একটা মাথা ঘামাতে নারাজ শাসকদল তৃণমূল। তাঁদের পালটা দাবি, মানুষ তাদের পাশে রয়েছে। ভোটের আগে রাজনৈতিক এই টানাপোড়েনের মধ্যেই ফের ভাঙন শাসকদলে। শতাধিক তৃণমূল কর্মী নাম লেখালেন বিজেপিতে।
বিধানসভা ভোটের আগে দলবদলের হিড়িক। গত কয়েকমাসে একাধিক তৃণমূল সাংসদ, বিধায়ক নাম লিখিয়েছেন বিজেপিতে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রত্যেকদিনই মানুষ বিজেপিতে আসতে চাইছে। ফলে তালিকাটা অনেক লম্বা বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।
যদিও এতে খুব একটা মাথা ঘামাতে নারাজ শাসকদল তৃণমূল। তাঁদের পালটা দাবি, মানুষ তাদের পাশে রয়েছে। ভোটের আগে রাজনৈতিক এই টানাপোড়েনের মধ্যেই ফের ভাঙন শাসকদলে। শতাধিক তৃণমূল কর্মী নাম লেখালেন বিজেপিতে।

ভোটের আগে দলবদলের হিড়িক
গত লোকসভায় দক্ষিণের থেকে উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করেছে বিজেপি। তুলনামূলকভাবে অনেক ভোট বেড়েছে। লোকসভার ফলাফলের নিরিখে একাধিক বিধানসভা আসনে এগিয়ে বিজেপি। বিজেপির অন্যতম শক্তঘাঁটি দক্ষিণ দিনাজপুর। আর সেখানেই বড়সড় রদবদল। দলবদলের হিড়িক দক্ষিণ দিনাজপুরে । জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের কালিতলা এলাকায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন ২০০ এরও বেশি জন কর্মী । অন্যদিকে, গঙ্গারামপুর পুরসভার কালিতলা এলাকায় প্রায় কয়েকশ পুরোহিত পরিবারের সদস্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন । বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন । উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি বিনয় বর্মণ সহ আরও অনেকে । বিজেপির দাবি, মানুষ আর তৃণমূলের মিথ্যা দাবি বিশ্বাস করছে না। ইমাম ভাতা দেওয়া হলেও পুরোহিতদের কিছুই দেওয়া হয়নি। ভোটের মুখে কিছু ঘোষণা হলেও তা সবাই পাচ্ছে না বলে অভিযোগ বিজেপির। আর সেই কারনে পুরোহিতরা বিজেপিতে নাম লেখাচ্ছে। পুরোহিত সমাজের মানুষ দলে যোগ দিলে, দল সমৃদ্ধ হবে বলে দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের।

দক্ষিণ দিনাজপুরে মাটি শক্ত হয়েছে বিজেপির
উত্তরবঙ্গে বিজেপির অন্যতম শক্তঘাঁটি হল দক্ষিণ দিনাজপুরে। এই লোকসভা কেন্দ্রটি বিজেপির দখলে। ইতিমধ্যে সেখানে সংগঠনকে মজবুত করেছে বিজেপি। অর্পিতা ঘোষ এবং বিপ্লব মিত্রের কোন্দলকে কাযে লাগিয়ে নিজেদের পায়ের মাটি শক্ত করে বিজেপি। যদিও খেলা ঘুরেছে। বিপ্লব মিত্র বিজেপিতে যোগ দিলেও ফের তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন। ফিরে পেয়েছেন পদ। সেখানে দাঁড়িয়ে বিধানসভা ভোটে ভালোই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

ভালো ফল হবার বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী
যদিও সাংসদ সুকান্ত মজুমদার মনে করেন, বিধানসভা ভালো ফল হবে এই কেন্দ্রে। বিশেষ করে ২০২১ সালের নির্বাচনে ভালো ফল হওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী তিনি। সাংসদের মতে, বিজেপির এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীতি আদর্শে বিশ্বাসী হয়েই সাধারণ মানুষ দলে যোগ দিচ্ছেন। মানুষ আর তৃণমূলকে বিশ্বাস করতে পারছে না বলেই দাবি সাংসদের। অন্যদিকে, তৃণমূল চেয়ারম্যান বিপ্লব মিত্র অবশ্য জানান, গঙ্গারামপুর কালিতলায় তৃণমূল থেকে কেউই বিজেপিতে যোগ দেয়নি । বিজেপির লোকজন লোক দেখানোর জন্য নতুন করেই আবার বিজেপিতে যোগদান করছে ।












Click it and Unblock the Notifications