জগন্নাথ নিরাপত্তার জন্য নাটক করছেন, ‘সাজানো ঘটনা’ বলে তোপ দাগলেন জয়প্রকাশ
জগন্নাথ নিরাপত্তার জন্য নাটক করছেন, ‘সাজানো ঘটনা’ বলে তোপ দাগলেন জয়প্রকাশ
কল্যাণী থেকে সিনেমা দেখে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয়। সাংসদের গাড়ির ঠিক পিছনেই পড়ে বোমা। বিজেপি দাবি, তাদের সাংসদ স্বল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই হামলার ঘটনা নিয়ে সরব হন সাংসদ। আর সম্প্রতি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এসবই সাজানো ঘটনা।

তৃণমূলের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, অত্যন্ত দুর্বল চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন জগন্নাথ সরকার। কিছুদিন আগেই নিরাপত্তা তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারপর নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য তিনি এই নাটক করেছেন। পুরোপুরি সাজানো ঘটনা। বিজেপি নেতাদের উঁচু-নীচু বিচার হয় নিরাপত্তারক্ষী দিয়ে। তাই নিজেই ওই চিত্রনাট্য তৈরি করেছন সাংসদ জগন্নাথ সরকার।
জয়প্রকাশ মজুমদার কটাক্ষ করেন, সাংসদ সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন। তার আগে কি তিনি দুষ্কৃতীদের বলে গিয়েছিলেন? কেউ কীভাবে জানতে পারে যে, তিনি সিনেমা দেখে ফিরছেন। সাসংদ যে চিত্রনাট্য সাজিয়েছিলেন, তা ধরা পড়ে গিয়েছে, তিনি নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য এই নাটক করছেন। তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
জয়প্রকাশের এই কটাক্ষের পর পাল্টা দেন সাংসদ জগন্নাথ সরকারও। তিনি তাঁরা পাল্টা কটাক্ষে ফিরিয়ে আনেন জয়প্রকাশের লাথি খাওয়ার প্রসঙ্গ। জগন্নাথ সরকার বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আমরা দেখি, জয়প্রকাশ করিমপুরে লাথি খেয়েছিলেন টাকা খরচ করে। তিনিই তো সেটিংয়ের রাজনীতি করেন। নীতি আদর্শ বলে কিছু নেই। এই ধরনের চিটারের কথায় উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না।
রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ কপে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত এই হামলা। আমার কর্মসূচির ব্যাপারে সম্পূর্ণ অবহিত হয়েই এই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এর আগেও একাধিকবার তাঁর উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এদিনও পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছে। এরপরই বিজেপি কর্মীরা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। শনিবার রাতের পর রবিবার সকাল থেকেও দফায় দফায় পথ অবরোধ হয়।
বিজেপির তরফ থেকে এই ঘটনায় তির ছোড়া হয় তৃণমূলের দিকে। তৃণমূল এই হামলার কথা অস্বীকার করেছে। জগন্নাথ সরকার সরাসরি তৃণমূলের নাম করে জানিয়েছে, এই ঘটনা শসাক দল জড়িত থাকতে পারে। এর আগে আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাংসানো হয়েছে, নানাভাবে আক্রমণ করে আমাকে ঘরবন্দি করে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু আমাকে জনসংযোগ থেকে পিছু হটাতে পারেনি।
তৃণমূল জানিয়েছে, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। নিজেরাই এসব সৃষ্টি করছে। তৃণমূল সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার ছাড়াও তৃণমূল নেত্রী রত্না ঘোষ করও একহাত নিয়েছেন জগন্নাথ সরকারকে। সাংসদের এই অভিযোগের পর তিনি বলেন, কথাটা শুনে হাসিও পাচ্ছে। উনি যে ধরনের অভিযোগ করছেন, তা সর্বেব মিথ্যা। সম্পূর্ণ সাজানো ঘটনা। হরিণঘাটা এলাকা খুবই শান্তিপ্রিয়। সেখানে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। তাই মিথ্যা অভিযোগ করছেন।












Click it and Unblock the Notifications