Pancahayat Election 2023: মুর্শিদাবাদে অ্যাডভান্টেজ কংগ্রেস! আভাস পেয়েই প্রচারে ঝড় অধীরের
সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট হলে এবার আর একতরফাভাবে সমস্ত জেলা পরিষদ জিততে পারবে না তৃণমূল। বিরোধীরাও এবার মাথা তুলে দাঁড়াবে জেলা পরিষদে। একাধিক জেলা পরিষদ তাঁরা দখলও করতে পারে। যেমন মুর্শিদাবাদে এবার কাঁটে কা টক্করে এগিয়ে কংগ্রেস।
সম্প্রতি সমীক্ষায় আভাস মিলেছে, মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের সঙ্গে নেক টু নেক ফাইট দেবে কংগ্রেস। এই আভাস পেয়েই আরো সক্রিয় হয়েছেন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। জেলা পরিষদ দখল করতে তারা মরিয়া। এর আগে শুভেন্দু অধিকারী নেতৃত্বে জোর করে কংগ্রেসকে সরানো হয়েছিল জেলা পরিষদের ক্ষমতা থেকে।

তারপর ২০১৮-য় তৃণমূল কংগ্রেস ভোটই করতে দেয়নি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রায় সমস্ত জেলা পরিষদ আসনে তারা জয়যুক্ত হয়েছিল। এবার কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা বেশিরভাগ জায়গাতেই লড়াই দেওয়ার মতো জায়গায় রয়েছে। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে যখন বিজেপি তৃণমূলকে বেগ দিতে পারে, তেমনই কংগ্রেস বেগ দিতে পারে মুর্শিদাবাদে।
সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলের হারের পরে এবার পঞ্চায়েত ভোটে কংগ্রেস এই জেলায় ঘুরে দাঁড়াতে পারে। সি ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের ভোট ফলাফলেও এবার চমক থাকতে পারে। এবারের ভোটে মুর্শিদাবাদের ৭৮টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেতে পারে ৩০ থেকে ৪০টি আসন। আর বাম-কংগ্রেস জোট পেতে পারে ৩৩ থেকে ৪৩টি আসন।

ফলে বামেদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এবার কংগ্রেস এই জেলা পরিষদে জয়ী হতে পারে। তৃণমূলকে সে অর্থে ক্ষমতা হারাতে হবে অধীর-গড়ে। সাগরদিঘি উপনির্বাচনেই কামব্যাকের আভাস ছিল, এবার সমীক্ষায় সেই আভাস পেয়ে কংগ্রেস ও বামেরা ঝাঁপিয়ে পড়েছে ভোট ময়দানে। এবার পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে একটা ঝটকা দিতে মরিয়া কংগ্রেস। মরিয়া অধীর চৌধুরী।
এদিনই জলঙ্গিতে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থীদের সঙ্গে হয়ে পদযাত্রায় শামিল হলেন অধীর চৌধুরী। মনোনয়ন পর্বে বিডিও অফিসে রাতভর ধর্নায় বসে তিনি কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের বার্তা দিয়েছিলেন, এবার রণেভঙ্গ দেওয়া যাবে না। এরপর এদিন তিনি পায়ে হেঁটে ভোট প্রচার করলেন।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী শনিবার বিকেলে ভোট প্রচারে জলঙ্গির কানাই সাধু মোড় থেকে সুধীর সাহার মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার পদযাত্রা করেন। পদযাত্রা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি গর্জে উঠলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বালখিল্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এনে বুথে না রেখে ভ্রমণ করানোর পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন। এটা একটা চক্রান্ত। বাংলার মানুষকে যাতে ভোটের দিন লুঠ করার ব্যাবস্থা পাকা করা যায়, তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দূরে রাখতে চাইছেন নির্বাচন কমিশনার।
অধীর বলেন, তৃণমূল সরকারের অঙ্গুলিঙেলনে চলছেন নির্বাচন কমিশনার। ক্রীতদাসদের বুকে রাখো, এটা হচ্ছে এই সরকারের রায়। আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিবাদ করব, আগামী সোমবার আমরা আদালতে যাব। কেন্দ্রীয় বাহিনী এনে বসিয়ে রাখার পরিকল্পনা হচ্ছে, আমরা দাবি জানাব সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বুথে রাখার।












Click it and Unblock the Notifications