মমতা বরাবরই রাজনীতিতে দ্বিচারিতা করে এসেছেন, হাওয়া বুঝে চলেন, কটাক্ষ অধীরের
ইন্ডিয়া জোট নিয়ে কি সংশয় তৈরি হল? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বেরিয়ে যাননি জোট ছেড়ে? প্রশ্ন তুলেছেন অধীর চৌধুরী। বাংলায় বিজেপিকে ভোটে সুবিধা পাইয়ে দিতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। কটাক্ষ করলেন কংগ্রেস সাংসদ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবর দ্বিচারিতা করে এসেছেন। হাওয়া বুঝে রাজনীতি করেন তিনি। প্রদেশ কংগ্রেস নেতা, সাংসদ অধীর চৌধুরী তৃণমূল নেত্রীকে আক্রমণ করলেন এই ভাষাতেই। জোট নিয়ে রীতিমতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল কটাক্ষ করেছিলেন। তাই নিয়ে চর্চা বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে।

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরী তৃণমূল নেত্রীকে আক্রমণ করলেন। বাংলায় বিজেপি বনাম তৃণমূল ভোটের লড়াই চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই হলে বিজেপি এবং তৃণমূল দুই দলেরই সুবিধা হবে। বাইনারি প্রক্রিয়ায় ভোট করাতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। অধীর চৌধুরী কটাক্ষ করলেন।
মুর্শিদাবাদ জেলার নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস একাই লড়াই করতে চায়। অধীরের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবে তৃণমূল কংগ্রেস। এই বক্তব্য কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। রাজ্যে তৃণমূল নেত্রী জোট চাইছেন না। তৃণমূল কংগ্রেস একা শক্তি দিয়ে বিজেপি কংগ্রেস সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। এমন কথাই সম্প্রতি জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
গতকাল মুখ্যমন্ত্রী বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ইন্ডিয়া জোটের বিষয়ে। জোটের বৈঠকগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে সিপিএম। ৩৪ বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তাঁর কথা জোটের বৈঠকে শোনা হয় না। তাঁকে খুব অপমান করা হয়। এই বক্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
কংগ্রেস সংসদ অধীর চৌধুরী এবার আসরে নামলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন তিনি। তৃণমূল নেত্রী বরাবর হাওয়া মোরগের ভূমিকায় থাকেন। হাওয়া যেদিকে যায়, সেদিকে তিনি ঘোরেন। এমনই কটাক্ষ করেছেন অধীর। শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাঝেমধ্যেই একাধিক মন্তব্য করেন। রাজ্যে আসলে বিজেপি বনাম তৃণমূল লড়াইয়ের ময়দান করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে এই দুই দলের সুবিধা হবে।
বিভাজনের রাজনীতি করে নির্বাচনে জয় পেতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। বাইনারি পোল করে ২০১৯, ২১ সালে জয় পেয়েছে তৃণমূল। বিজেপিও রাজ্যে ভালো ফল করেছে। সেই একই পন্থা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নিতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। মন্তব্য অধীরের। তাহলে কি কংগ্রেস ও সিপিএম রাজ্যে আরও ম্লান হয়ে যাবে? প্রশ্ন উঠছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাহানা করতে চাইছেন। মোদী দিদির মধ্যে ভাগাভাগি করার রাজনৈতিক করছেন তিনি। সিপিএম জোটে মাতব্বরি করলে কেন ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কেন সেদিন তিনি বেরিয়ে যাননি? প্রশ্ন করলেন অধীর।
রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যে প্রায় সব জেলাতে বিজেপি কর্মসূচি করেছে। কিন্তু রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে কোনওরকম বাধা দেওয়া হয়নি। আসলে এই ঘটনা দিদি মোদি সেটিং। রাজ্যে বিজেপির সঙ্গে ভোট ভাগাভাগি করার প্রক্রিয়া। মন্তব্য কংগ্রেস সাংসদের।












Click it and Unblock the Notifications