দুর্নীতির দাবিতে SFI-DYFI-এর থানা ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে একেবারে রণক্ষেত্র লালগোলা
আব্দুর রহমান চাকরিতে প্রতারিত হয়ে আত্মহত্যা করে। সেই ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দাবিতে আজ শনিবার থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয়। এসএফআই এবং ডিওয়াইএফআইএ'য়ের তরফে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। আর এই কর্মসূচি ঘিরে একেবারে রণক্ষেত্র এল
আব্দুর রহমান চাকরিতে প্রতারিত হয়ে আত্মহত্যা করে। সেই ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দাবিতে আজ শনিবার থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয়। এসএফআই এবং ডিওয়াইএফআইএ'য়ের তরফে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। আর এই কর্মসূচি ঘিরে একেবারে রণক্ষেত্র এলাকা।
একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে থানার মধ্যে ঢোকার চেষ্টা কর্মী-সমর্থকদের। যদিও বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘিরে রাখা হয়েছে গটা এলাকা।

তৃণমূল জড়িত বলে দাবি কংগ্রেস নেতার
বামেদের এই অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছেন প্রদেশ সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আব্দুর রহমানের বাড়িতে আমি গিয়েছিলাম। ওদের কষ্টের কথা আমি শুনেছি। পুরো ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত বলে দাবি কংগ্রেস নেতার। এই আন্দোলনটা প্রয়োজন ছিল বলে দাবি তাঁর। যে রাজনৈতিক দলই করুক তাতে আমার সমর্থন আছে বলে এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ।

এক নজরে ঘটনা
বলে রাখা প্রয়োজন, প্রাথমিকে চাকরি পাইয়ে দেবেন বলে আব্দুর রহমানের থেকে ধাপে ধাপে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা নেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম দিবাকর কোনাই বলে জানা যাচ্ছে। কিন্ত্য মাসের পর মাস কেটে গেলেও চাকরি পাইনি সে। এরপর গত ২৭ সেপ্টেম্বর আত্মহত্যা করে সেই যুবক। একেবারে বাড়ির কাছ থেকেই আব্দুর রহমানের দেহ উদ্ধার হয়। এমনকি পাওয়া যায় সুইসাইড নোটও। আর এই ঘটনার পর থেকেই দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় লালগোলাতে।

থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় বাম ছাত্র সংগঠনগুলি।
দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগে আজ শনিবার লালগ্লা থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। তাঁদের সঙ্গে একাধিক স্থানীয় মানুষজনও যোগ দেন। আর তা নিয়ে একেবারে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে থাকেন কর্মী-সমর্থকরা। এমনকি একটা সময় ব্যারিকেড ভেঙে থান্র ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। আর তা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় ঘটনাস্থলে। যদিও বাম কর্মীদের দাবি, শান্তিপূর্ণ মিছিল ছিল। কিন্ত্য পুলিশের ব্যবহার মোটেই ভালো ছিল না। আর সেই কারনেই এই ঘটনা বলে দাবি বাম নেতৃত্বের। ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলেও আক্রমণ তাঁদের।
তবে এদিনের ঘটনা ঘিরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। একের পর এক ব্যারিকডে করা হয়। যদিও আন্দোলনের চাপে বেশ কয়েকটি ব্যারিকেড ভেঙে যায়। যা নিয়ে একেবারে ব্যাপক ইয়ত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকাতে।












Click it and Unblock the Notifications