WFI Elections: কুস্তির লড়াইয়ে লজ্জার পরাজয় মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর, সাক্ষীর অবসরে সরব বিজেন্দ্র
মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, কিন্তু কুস্তির লড়াইয়ে গো-হারা হারলেন মোহন যাদব। মাত্র কয়েকদিন আগেই মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। সেখানে ১৬৩টি আসন নিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখে বিজেপি। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী পদেও বদল আনে বিজেপি নেতৃত্ব। শিবরাজ সিং চৌহানেপর বদলে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হন মোহন যাদব।
মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শুধু রাজনীতির লড়াইয়েই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি, কুস্তি ফেডারেশেনর নির্বাচনেও অংশ নেন। ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের সমর্থিত প্রার্থী হয়ে সহ সভাপতি পদে নির্বাচনে লড়েন। কিন্তু ভোটের ফরলাফল সবাইকে চমকে দিয়েছে। সভাপতি পদে ব্রিজভূষণ অনুগামী সঞ্জয় সিং জয় পেলেও হেরে গিয়েছেন মোহন যাদব। শুধু হারেননি, একেবারে গো-হারা হেরেছেন।

তৃতীয় এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি হয়েছেন মণিপুরের এন ফোনি এবং দিল্লির জয়প্রকাশ। এই দুই জন পেয়েছেন ৩৮ এবং ৩৭টি ভোট। মধ্যপ্রদেশের নতুন মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব সেই অর্থে লড়াই করতেই পারেননি। গত জুলাই মাসে কুস্তি সংস্থার নির্বাচনে সহ সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দেন মধ্যপ্রদেশের এই বিজেপি নেতা।
এরআগে একাধিকবার নির্বাচনের দিন চূড়ান্ত হলেও আদালত স্থগিতাদেশ দেয়। ১২ অগাস্ট ছিল বহু প্রতিক্ষিত ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের নির্বাচন। কিন্তু আদালতের নির্দেশে নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। ১১ অগাস্ট পঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্ট এই নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছ। ফলে ফের পিছিয়ে যায় ভারতীয় কুস্তি সংস্থার নির্বাচন। অবশেষে বৃহস্পতিবার নির্বাচন হল।
এই নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ব্রিজভূষণ সিংয়ের ঘনিষ্ঠ সঞ্জয় সিং। মোট ৪৭টির মধ্যে ৪০টি ভোটই পেয়েছেন সঞ্জয় সিং। সভাপতি পদে তিনি হারিয়েছেন কমনওয়েলথ গেমসের পদকজয়ী অনিতা শেওরানকে।উত্তর প্রদেশ কুস্তি সংস্থার সভাপতি সঞ্জয় সিং ২০১৯ সাল থেকে ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। মূলত ব্রিজভূষণের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত সঞ্জয় এবার সর্বোচ্চ পদে আসীন হলেন।
নিজের ঘনিষ্ঠকে সভাপতি পদে বসিয়ে ভারতীয় কুস্তির রাশ কার্যত নিজের হাতেই রাখলেন ব্রিজভূষণ। যদিও নিজের দলেরই মুখ্যমন্ত্রীকে জেতাতে পারলেন না ব্রিজভূষণ। কুস্তির প্যাচে হার মানলেন মোহন যাদব।
এদিকে নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পরই কুস্তি ছাড়ার কথা জানিয়েছেন সাক্ষী মালিক।
এই ইস্যুতে এবার সরকারকে আক্রমণ করল কংগ্রেস। অলিম্পিকে পদকজয়ী বক্সার তথা কংগ্রেস নেতা বিজেন্দ্র সিং বলেন,'একজন ক্রীড়াবিদ হিসাবে আমি বুঝতে পারছি কেন সাক্ষী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ সরকারের কাছে ও কোনও সুবিচার পেল না যৌন হেনস্থা কাণ্ডে।'
একইসঙ্গে বিজেন্দ্র বলেন, 'একজন অলিম্পিকে পদকজয়ীর যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে দেশের সাধারণ মানুষের অবস্থা কেমন?'












Click it and Unblock the Notifications