D Gukesh: স্মৃতির সরণিতে আনন্দ, গুকেশের সাফল্য অনুপ্রাণিত করবে বাকিদেরও, মত ভারতীয় দাবা আইকনের
বিশ্ব দাবায় ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ডি গুকেশ। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার। ফলে বছর শেষে গুকেশকে নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। বিশ্বনাথন আনন্দের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে বিশ্ব দাবার খেতাব জিতেছেন গুকেশ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই গুকেশকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন আনন্দ। শুক্রবার ভারতীয় দাবার আইকন ফিরে গেলেন স্মৃতির সরণিতে। এদিকে রাশিয়ার দাবা ফেডারেশন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন গুকেশের সাফল্য নিয়ে।
বিশ্বনাথন আনন্দের অ্যাকাডেমি থেকেই উঠে এসেছেন গুকেশ। ফলে আনন্দের কাছে যা অতিরিক্ত গর্বের কারণ। গুকেশ ইতিমধ্যেই ভেঙে দিয়েছেন কিংবদন্তি গ্যারি কাসপারভের রেকর্ড। ১৯৮৫ সালে ২২ বছর বয়সেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন গ্যারি। কিন্তু ১৮ বছর বয়সেই বিশ্ব সেরার তাজ পেলেন গুকেশ। শুক্রবার আনন্দ গুকেশের সঙ্গে একটি তাঁর একটি পুরানো ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে গুকেশের হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন আনন্দ।

একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমকে আনন্দ জানিয়েছেন, গুকেশ শুধুমাত্র দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে নন, একইসঙ্গে মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সর্ব কনিষ্ঠ দাবাড়ু হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেন। একটা খুব বড় সাফল্য।
একইসঙ্গে আনন্দ বলেছেন, আমার মনে হয় গুকেশের মধ্যে সব রকমের গুণাবলী আছে। তার জন্যই সে অল্প বয়সেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছেন। শুধু মাত্র প্রতিভা থাকলেই হয় না। গুকেশ খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সে প্রতিটি চাপ খুব ভালোভাবে সামলেছে এবং প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার যে কৌশলগুলি নিয়েছিল সেটাই তাঁকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করে।
The boy who would be King@FIDE_chess @WacaChess pic.twitter.com/kN8eG7fijq
— Viswanathan Anand (@vishy64theking) December 13, 2024
বর্তমান সময়ে ভারত থেকে একাধিক তরুণ দাবাড়ু উঠছে আসছে। প্রত্যেকেই খুবই প্রতিভাবান। গুকেশ ছাড়াও অর্জুন এরিগাইসি ও রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দও আছেন এই তালিকায়। আনন্দ মনে করেন, গুকেশের এই সাফল্য যে দেশের নানা কোণে লুকিয়ে থাকা আরও অনেক প্রতিভাকে উজ্জ্বীবিত করবে, তাতে সন্দেহ নেই। সব মিলিয়ে এক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের অ্যাকাডেমি থেকেই তৈরি হল আরও এক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।
এদিকে গুকেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর গুরুতর অভিযোগ তুলেছে রাশিয়া। রাশিয়ার দাবা ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেই ফিলাতোভের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচ হেরেছেন লিরেন। এর জন্য তদন্ত করার আবেদনও করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। তঁার বক্তব্য, শেষ গেমে যেভাবে হেরেছেন চিনের লিরেন তা অত্যন্কত সন্দেহজনক। লিরেনের থেকে এমন ভুল আশা করা যায় না।












Click it and Unblock the Notifications