অলিম্পিকে পতাকাবাহক মেরি-মনপ্রীতকে মোদীর বার্তা, বড় সিদ্ধান্ত জানালেন মেরি কম
টোকিও অলিম্পিকে অংশ নিতে চলা ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে আজ ভার্চুয়াল আলাপচারিতা সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকলকে শুভেচ্ছা ও উৎসাহ প্রদান করলেন। যে ১৫ জনের সঙ্গে ওই বৈঠক চলাকালীন আলাদাভাবে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী তাঁদের মধ্যে ছিলেন এমসি মেরি কম ও মনপ্রীত সিং। ছয়বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেরি ও ভারতীয় হকি দলের হকি দলের অধিনায়ক মনপ্রীত সিংয়ের হাতেই থাকবে অলিম্পিকের মার্চপাস্টে দেশের পতাকা।
|
মেরির শেষ অলিম্পিক
টোকিও অলিম্পিকই যে তাঁর শেষ অলিম্পিক হতে চলেছে সে কথা প্রধানমন্ত্রীকে এদিন জানিয়েছেন ৩৮ বছরের ম্যাগনিফিশেন্ট মেরি কম। এশিয়ান বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ ও বক্সাম ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং টুর্নামেন্টে রুপো ও ব্রোঞ্জ জিতেছেন ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী মেরি। মেরি কম নিজে বলেছিলেন, অলিম্পিকে সোনা জেতাই তাঁর লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আপনার মতো গোটা দেশও আপনার স্বপ্নপূরণের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সন্তানদের ছেড়ে দেশের হয়ে খেলার জন্য বাইরে থাকার অভিজ্ঞতা থেকে প্রিয় পাঞ্চ, প্রধানমন্ত্রীর সব প্রশ্নেরই উত্তর দেন বক্সিংয়ের এই কিংবদন্তি। জানালেন, মহম্মদ আলিকে দেখেই বক্সিংয়ে আসা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি ভারতীয় অনেক ক্রীড়াবিদের কাছেও অনুপ্রেরণা।
|
মনপ্রীতকে বার্তা
ভারতের হকি দলের অধিনায়ক মনপ্রীত সিংয়ের কাছ থেকে নরেন্দ্র মোদী জানতে চান করোনা পরিস্থিতি সামলে কীভাবে ভারতীয় দল অলিম্পিকের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। অলিম্পিক হকিতে ভারতের সোনালি সাফল্য ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী উৎসাহিত করেন মনপ্রীতকে।
|
ভিনেশের বায়োপিক
কুস্তিগীর ভিনেশ ফোগাটের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কিছুদিন পরেই তো আপনার বায়োপিক মুক্তি পাবে। আপনার পরিবার যেভাবে দেশকে এত সাফল্য উপহার দিয়েছেন সেটা কি কোনওভাবে প্রত্যাশার চাপ তৈরি করে? ভিনেশ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন তাঁর বাবার কাছে। সরস প্রধানমন্ত্রী জানতে চান কোন চাক্কির আটার রুটি ফোগাট পরিবার খায় যে কুস্তিতে এত সাফল্য? ভিনেশের বাবা গ্রামের চাক্কির আটার কথা জানিয়ে বলেন, মেয়েকে বলেছি অলিম্পিক থেকে পদক জিতলে তবেই বিমানবন্দরে যাব।
|
দ্যুতির লক্ষ্য
ওডিশার দ্যুতি চাঁদকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যাশার চাপ মাথায় না রেখেই অলিম্পিকে নামতে হবে। আমরা নিশ্চিত আপনি পদক জিতে ফিরবেন। দ্যুতির এটি দ্বিতীয় অলিম্পিক। তিনি বলেন, আমরা তিন বোন, এক ভাই। এত কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়ায় আমার মাকে অনেক কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। আমার বাবার আয় ভালো ছিল না, ঠিকমতো খাবার জুটতো না। তাই পরিবারের হাল ফেরাতে খেলায় ভালো করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়েছি। অলিম্পিকে প্রমাণ করে দিতে চাই আমাদের দেশের মেয়েরা কোনও অংশে কম যান না।












Click it and Unblock the Notifications