Tokyo Olympics : কুস্তির ফাইনালে রবির হারেও দেশ পেল গর্বের রুপো, ব্রোঞ্জ হাতছাড়া দীপকের
Tokyo Olympics : কুস্তির ফাইনালে রবি দাহিয়ার হারেও দেশ পেল গর্বের রুপো
লড়েও পারলেন না রবিকুমার দাহিয়া। দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের কাছে হেরে পুরুষদের ফ্রিস্টাইল কুস্তি ইভেন্ট থেকে রুপো জিতেই দেশে ফিরতে হবে দুই বারের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নকে। রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটির জাউর উগুয়েভের বিরুদ্ধে ৪-৭ পয়েন্টে ম্যাচ হেরেছেন ভারতীয় কুস্তিগীর। যদিও রবিকুমারের লড়াইকে কুর্নিশ করেছে দেশের ক্রীড়া মহল। চলতি অলিম্পিকে দেশের হয়ে দ্বিতীয় রুপো আনা হরিয়ানার কুস্তিগীরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।

রুপো জিতলেন রবি
টোকিও অলিম্পিকে ভারতের হয়ে পঞ্চম পদকটি নিশ্চিত করলেন ভারতের রবিকুমার দাহিয়া। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল ইভেন্টে সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি। ভারোত্তোলক মীরাবাঈ চানুর পর চলতি গেমস থেকে দ্বিতীয় রপো হাসিল করে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন হরিয়ানার কুস্তিগীর। দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন (২০১৮, ২০১৯) রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটির কুস্তিগীর জাউর উগুয়েভের বিরুদ্ধে লড়েও ফাইনাল হারতে হয়েছে রবিকুমারকে। ৭-৪ ফলাফলে ম্যাচের ফয়সলা নির্ধারিত হয়।

সুশীল কুমারের পর দ্বিতীয় ভারতীয়
প্রাক্তনী সুশীল কুমারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে অলিম্পিকে রুপো জিতলেন রবিকুমার দাহিয়া। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ৬৬ কেজির ফ্রিস্টাইল ইভেন্ট থেকে ওই পদক জিতেছিলেন সুশীল। চার বছর আগে অর্থাৎ ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকের একই ক্যাটেগরি থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সুশীল। দুই অলিম্পিকে পদক জয়ের বিরল নজির যে দুই ভারতীয় ক্রীড়াবিদের অন্যতম। রবি দাহিয়ার সেই নজির স্পর্শ করতে পারবেন কিনা, তা তো সময় বলবে। তার আগে টোকিও গেমস থেকে রুপো জিতে তিনি ইতিহাস গড়লেন। সবমিলিয়ে অলিম্পিকের কুস্তি থেকে ভারতের মোট অর্জিত পদক সংখ্যা ৬-এ গিয়ে পৌঁছল। ১৯৫২ সালে অলিম্পিকের কুস্তিতে ভারতের হয়ে প্রথম পদক জিতেছিলেন কেডি যাদব। তিনি দেশকে ব্রোঞ্জ পদক জিতে গর্বিত করেছিলেন। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকের ৬০ কেজি ফ্রিস্টাইল ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ভারতের যোগেশ্বর দত্ত। ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ভারতের সাক্ষী মালিক।

দীপক পুনিয়ার হার
রবিকুমার দাহিয়ার সফলতার আবহে ব্রোঞ্জ পদক হাতছাড়া করলেন ভারতীয় কুস্তিগীর দীপক কুমার পুনিয়া। ৮৬ কেজির ফ্রিস্টাইল ক্যাটাগরির তৃতীয় স্থান নির্ধারক ম্যাচে ৩৩ হাজার জনসংখ্যার দেশ সান মারিনোর মিলেস আমিনের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহুর্তে পয়েন্ট হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক হাতছাড়া করতে হয়েছে ভারতীয় কুস্তিগীরকে। ৪-২ পয়েন্টে ম্যাচের ফয়সলা নির্ধারিত হয়েছে। এই হারে হতাশ হয়েছেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা। দীপককে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখিও শুরু হয়েছে।

লড়াই করে ফিরে এসেছিলেন রবি
কোয়ার্টার ফাইনালে অনায়াস জয় হাসিল করা রবিকুমার শেষ চারে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। ভারতীয় কুস্তিগীরের বিরুদ্ধে ওই ম্যাচের প্রথম থেকেই পয়েন্ট অর্জন করতে শুরু করেছিলেন কাজাখস্তানের নুরিসলাম সানায়েভ। একটা ৩-৯ পয়েন্টে পিছিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ভারতীয় কুস্তিগীরের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল। ম্যাচের একদম শেষ মুহুর্তে দুর্দান্ত দক্ষতায় ফল পয়েন্ট হাসিল করেন দাহিয়া। ৭-৯ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও ম্যাচ শেষ হওয়ার ১০ সেকেন্ড আগে রবিকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications