Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সৈয়দ মোদী আন্তর্জাতিক: খেতাব ধরে রেখে বিরল সম্মান গোপীর ছাত্রের, পারলেন না সাইনা

সৈয়দ মোদি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে নিজের খেতাব ধরে রাখলেন সমীর ভার্মা, কিন্তু ফাইনালে পরাজিত হলেন সাইনা নেহওয়াল।

সৈয়দ মোদি ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্ল্ড ট্যুর সুপার ৩০০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-এ নিজের খেতাব ধরে রাখলেন ভারতীয় শাটলার সমীর ভার্মা। রবিবার লখনৌয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে দুর্দান্ত ব্যাডমিন্টনের নজির রাখেন তিনি। তবে, ভারতের অন্য আশা সাইনা নেহওয়াল ফাইনালে হেরে যান। এর আগে এই টুর্নামেন্টে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি।

মেয়েদের সিঙ্গলস ফাইনালে সাইনার পরাজয়ের পাশাপাশি ভারতের অন্যান্য প্রতিযোগীরা - ডাবলস জুটি সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেঠি, মহিলা ডাবলস জুটি অশ্বিনী পোন্নাপ্পা ও এন সিক্কি রেড্ডি-রাও কেউ খেতাব জিততে পারেননি। তবে তাদের ব্যর্থতার গ্লানি একাই সাফ করে দিয়েছেন সমীর।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

মেমন ভাইদের মধ্যে তৃতীয় ছিল ইয়াকুব। স্বভাবে আপাত শান্ত ইয়াকুব মাত্র ত্রিশ বছর বয়সেই হয়ে উঠেছিল মুম্বই পুলিশের মাথা ব্যথার কারণ। মুম্বইয়ের সবচেয়ে স্মার্ট এবং শিক্ষিত ক্রিমিনাল হিসাবে আখ্যায়িত হয়েছিল সে।

পর পর দুইবার

পর পর দুইবার

এই নিয়ে দেড় লক্ষ মার্কিন ডলার পুরস্কার মূল্যের এই টুর্নামেন্টে পর পর দুবার বিজয়ী হলেন বিশ্ব ক্রমতালিকায় ১৬ নম্বরে থাকা ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা সমীর ভার্মা। তিনিও হায়দরাবাদে পুল্লেলা গোপীচাঁদের অ্যাকাডেমিরই ছাত্র। ফাইনালে তিনি চিনা প্রতিদ্বন্দ্বী লু গুয়াংজু-কে ১৬-২১, ২১-১৯, ২১-১৪ ফলে হারান।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

তবুও ইয়াকুবের কাহিনি আর পাঁচটা অপরাধীর চেয়ে থানিক আলাদা। ছোটবেলা থেকেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ও তারপরে কলেজে পড়েছিল সে। ফলে ইংরেজি বলিয়ে-কইয়ে এমন অপরাধী সেসময়ে ছিল না বললেই চলে। কমার্সে স্নাতক ইয়াকুব ১৯৯০ সালে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টট্যান্ট হয়।

অচেনা সাইনা

অচেনা সাইনা

এর আগে এই টুর্নামেন্টে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন সাইনা নেহওয়াল। এবার পিভি সিন্ধুর অনুপস্থিতিতে তিনিই ছিলে মহিলাদের সিঙ্গলস বিভাগে ভারতের সেরা বাজি। রীতিমতো ঝড় তুলে তিনি ফাইনালেও পৌঁছেছিলেন। কিন্তু রবিবার তাঁকে একেবারেই চেনা ছন্দে পাওয়া যায়নি। ১৮-২, ৮-২১ ফলে তাঁকে একপ্রকার উড়িয়েই দেন তরুণ চিনা তারকা হ্যান ইউ। ২০১৭ সালে তিনি বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে রানারআপ হয়েছিলেন।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

১৯৯১ সালে বাল্যবন্ধু চেতন মেহতাকে নিয়ে অ্যাকাউন্টিং ফার্ম খুলে ফেলেন ইয়াকুব। নাম দেন 'মেহতা অ্যান্ড মেমন অ্যাসোসিয়েটস'। পরে আরও গুলাম ভৈরা নামে আরও একজন পার্টনার যুক্ত হয় তাদের সঙ্গে।

পুরুষদের ডাবলস

পুরুষদের ডাবলস

এর আগে পুরুষদের ডাবলস ফাইনালে, কমনওয়েল্থ গেমসে রৌপ্যপদক জয়ী ভারতীয় জুটি সাত্ত্বিকসাইরাজ ও চিরাগ শেঠী ১১-২১. ২০-২১ গেমে পরাজিত হন প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় বাছাই ইন্দোনেশিয় জুটি ফজর আলফিয়ান ও মহম্মদ রিয়ান আরদিয়ান্তো-র বিরুদ্ধে।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

খুব রমরমিয়েই চলছিল ইয়াকুবের ফার্ম। তবে হঠাৎ ১৯৯২ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। তারপরে ইয়াকুব 'এআর অ্যান্ড সন্স' নামে আরও একটি কোম্পানি খোলে। একইসঙ্গে সে একটি রপ্তানি কোম্পানিও খোলে যার নাম ছিল 'তেজারেথ ইন্টারন্যাশনাল'। এই কোম্পানি অফিস ছিল মাহিম এলাকায়। এবং মধ্যপ্রাচ্যে এই কোম্পানি মাংস রপ্তানি করত।

মহিলাদের ডাবলস

মহিলাদের ডাবলস

মহিলাদের ডাবলসেও ব্যর্থতাই সঙ্গী হয়েছে ভারতীয় জুটি অশ্বিনী পোন্নাপ্পা ও এল সিক্কি রেড্ডির। কমনওয়েল্থ-এ তাঁরা ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে তাঁরা ১৫-২১, ১৩-২১ ফলে স্টেরট গেমে পরাজিত হন প্রতিযোগিতার তৃতীয় বাছাই মালয়েশিয় জুটি চাও মেই কুয়ান ও লি মেং ইয়েন-এর বিরুদ্ধে।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

কিছুদিনের মধ্যে ইয়াকুবের পসার এমন জমে উঠল যে ইয়াকুব মাহিমের একটি আবাসনে একসঙ্গে ৬টি ফ্ল্য়াট কিনে ফেলল (সেখানে তার দাদা টাইগার মেমনেরও দুটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট ছিল)।

সিন্ধুর সঙ্গে সমীর

সিন্ধুর সঙ্গে সমীর

এদিনের দুরন্ত পারফরম্যান্সের জোরে সমীর ভার্মা গুয়াংঝাও ক্রমতালিকায় প্রথম ৮ জনের মধ্যে ঢুকে পড়লেন। পেরিয়ে গেলেন জাপানি শাটলার কেন্টা নিশিমোতোকে। ফলে বছরের শেষে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের ট্যুর ফাইনালে খেলার বিরল সম্মান পেলেন তিনি। এই বছর এই সম্মানীয় প্রতিয়োগিতায় খেলার সুযোগ ভারত থেকে সমীর বাদে একমাত্র পেয়েছেন পিভি সিন্ধু।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

ওই বছরই রাজকীয়ভাবে মুম্বইয়ের ইসলাম জিমখানায় অনুষ্ঠান করে রাহিনকে নিকাহ করে ইয়াকুব। এবং সেই নিকাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহু খ্যাতনামা বলিউড সেলেবস।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

দাদা টাইগারের ও ইয়াকুবের স্বভাব একেবারে দুই মেরুর ছিল। টাইগার যেকোনও উপায়ে, অবৈধভাবে হলেও কোটিপতি হতে চেয়েছিল। শিক্ষারও তেমন ছাপ ছিল না। আর অন্যদিকে ইয়াকুব ছিল স্বভাবে শান্ত, শিক্ষিত, মার্জিত ও উচ্চ ভাবনার।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

ফলে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ অবশ্যম্ভাবী ছিল। এছাড়াও টাইগার তার স্ত্রী শাবানার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করত। এবং বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে লিপ্ত ছিল সে। ইয়াকুবের সঙ্গে বিবাদের আর একটি কারণ ছিল এটাও।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

কিন্তু এসব সত্ত্বেও মুম্বইয়ে বিস্ফোরণ ঘটানোর ঘটনায় দাউদ ইব্রাহিম, আনিস ইব্রাহিম, টাইগার মেমনের মতোই জড়িয়ে পড়েছিল ইয়াকুব। গোটা বিস্ফোরণের ঘটনায় টাকা দিয়ে সেই সাহায্য করেছিল। বিদেশি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট ছিল মেমন পরিবারের কয়েকজনের। সেখানেই বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক ঘুরে টাকা ঢুকেছিল অ্যাকাউন্টে। গোয়েন্দারা জানিয়েছিলেন, সম্ভবত বাইরে থেকে কেউ সেই টাকা পাঠিয়েছিল।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

গোটা ঘটনার ব্লু প্রিন্ট তৈরি করে ও সাজিয়ে রেখে ১৯৯৩ সালের ১০ মার্চ ভারত ছাড়ে ইয়াকুব। ১২ মার্চ মুম্বইয়ের ১৩ জায়গায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ হয় যাতে মোট ২৫৭ জন মানুষ প্রাণ হারান। আহত হন প্রায় হাজার জন মানুষ।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

এরপর ১৯৯৪ সালের জুলাইয়ে নেপালের কাঠমান্ডুতে আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করেন ইয়াকুব মেমন। আত্মসমর্পণ করলে সে কোনওভাবেই ছাড় পাবে না জানতে পেরে ফের করাচিতে পালাতে উদ্যত হয় সে। তবে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে ধরা পড়ে ইয়াকুব।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

ধরা পড়ার পর ইয়াকুব জানায়, পাকিস্তানে পৌঁছে সে বিস্ফোরণের খবর জানতে পেরেছিল। ২০০৭ সালে, ঘটনার ১৪ বছর পর টাডা আদালতের বিচারপতি পিডি কোড়ে ইয়াকুবকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেন।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, জঙ্গি কার্যকলাপে মদত ও অর্থসাহায্য, বেআইনি অস্ত্র রাখা ও সরবরাহ করা এবং বিস্ফোরণের দায়ে ইয়াকুবের সর্বোচ্চ সাজা নির্ধারিত হয়।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

ফের একবার প্রাণভিক্ষার আর্জি জানায় ইয়াকুব। তবে ২০১৩ সালের ২১ মার্চ, সুপ্রিম কোর্ট তা নাকচ করে। মুম্বই বিস্ফোরণের মূলচক্রীদের একজন ইয়াকুব, এমনটাই জানায় শীর্ষ আদালত।

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

যে পথে ফাঁসিকাঠে ঝুলল ইয়াকুব

এরপর বেশ কয়েকবার মৃত্যুদণ্ড রদের আর্জি জানালেও সুপ্রিম কোর্ট তা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং শেষপর্যন্ত বুধবার সারাদিন দীর্ঘ জল্পনার পর এদিন ভোরের আগে ইয়াকুবের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। এবং নাগপুরের সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসি কার্যকর হয় ১৯৯৩ মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম মূলচক্রী ইয়াকুব মেমনের।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+