বিরাট অনবদ্য, তবু টি২০ বিশ্বকাপের দাবীদার শ্রীলঙ্কা

বিরাটের দুর্ধর্ষ ৭৭-ও বাঁচাতে পারল না ভারতকে। অফ ফর্মে থাকা যুবরাজের ধীরগতির ব্যাটিং ভারতের হারের ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর বলে মনে করছেন অনেকেই। ২১ বলে ১১ রান করেন যুবরাজ। ফলে ২০ ওভারের শেষে মধ্যমমানের ১৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেয় ভারত।
ভারতের ১৩০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রাথমিকভাবে শ্রীলঙ্কা কিছুটা সমস্যায় পড়লেও শেষপর্যন্ত ১৩ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ করে লঙ্কাবাহিনী। মহেলা জয়বর্ধনের ২৪ রানের ছোট্ট ইনিংস এবং সাঙ্গাকারার অপরাজিত ৫২ শ্রীলঙ্কার ম্যাচে অন্য উদ্দীপনা এনে দেয়।
লজ্জাজনক ঘটনা : চন্ডীগড়ে যুবরাজের বাড়িতে পাথর ছুড়ে মারল ভারতীয় সমর্থকরা
১৫তম ওভারটাই ম্যাচের উইনিং পয়েন্ট হয়ে যায়। ওই ওভারে মোট ১৫ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। নিজের ফেয়ারওয়েল ম্যাচে যেখানে সঙ্গাকারা মনে রাখার মতো একটা ইনিংস খেলে গেলেন। সেখানে যুবরাজের ম্যাচ ঝোলানো ব্যাটিং সমর্কদের সমালোচনার মুখে পড়েছে।
ব্য়াটে বিরাট দাপট দেখালেও ব্যাটিং শেষের দিকে যুবরাজের ঠুকঠুক ব্যাটিংয়ের ফলে স্ট্রাইক পাননি বিরাট। ফলে সেখানে রান রেটটা অনেকটা পড়ে যায় ভারতের। একটা সময় এসেগিয়েছিল, যখন ভারতীয় সমর্থকরা যুবরাজের আউট হওয়ার অপেক্ষা করছিলেন। এর পর যদিও সুরেশ রায়নার আগেই বিচলিত ধোনি নামলেও ব্যাট হাতে শেষ ওভারে চমকপ্রদ কিছুই করতে পারেননি ধোনি। মালিঙ্গার বলে ধাতস্ত হতে হতে ইনিংস শেষ হয়ে যায়। শেষ চার রানে ভারতের সংগ্রহ ১৯ রান। যুবরাজের স্লথ ব্যাটিং বিরাটের বিরক্তির কারণ যে হয়ে উঠছিল তা তার চোখে মুখে স্পষ্ট ছিল। শেষ বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন বিরাট।
একটা সময় যখন শ্রীলঙ্কা ৭৮ রানে ৪ উইকেট হারায়, তখন কিছুটা আশা তৈরি হলেও ভারতীয় বোলারদের পরিসীমিত বোলিংয়ের ফলে তা ধীরে ধীরে ক্ষীণ হতে হতে অবশেষে অবলুপ্ত হয়ে যায়। অন্যদিকে রঙ্গনা হেরাথের (১/২১) এবং অ্যাঞ্জেলো ম্য়াথিউজের (১/২৫) ভারতের জয়ের স্বপ্নকে অনেকটাই ক্ষীণ করে দিয়েছিল।
টসে জিতে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গা ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায়। বৃষ্টির কারণে এদিন টসে ৪০ মিনিট দেরী হয়। বৃষ্টি হলেও সম্পূর্ণ ২০ ওভারেরই ম্যাচ হয় এদিন।












Click it and Unblock the Notifications