মেরঠে কিশোর অপহরণ ,মাস্টার মাইন্ড জাতীয় স্তরের ক্রীড়াবিদ,মুক্তিপণের অঙ্কে চক্ষু চড়কগাছ হবে
ক্রীড়া জগতের জন্য লজ্জা। কিশোর অপহরণ করে বলিউডি কায়দায় মুক্তিপণ দাবি করে পুলিশের জালে জাতীয় গেমসে রূপো জয়ী জ্যাভলিন থ্রোয়ার
এ যেন পুরো হলিউড বা বলিউডের ক্রাইম ছবি। মেরঠের এক বিত্তশালী ব্যবসায়ীর ১৭ বছরের ছেলেকে অপহরণ করেছিল আট অপহরণকারী। ফিল্মি কায়দায় অপহৃতের বাবা- মা-কে ফোন করে হুমকি দিয়ে পাঁচ কোটি টাকা মুক্তিপণ চায় তাঁরা। এই সময় গাজিয়াবাদ, মুজঃফরনগর , নয়ডা, হরিদ্বারের বিভিন্ন জায়গা থেকে অপহরণকারীরা ফোন করতে থাকে। বেশিরভাগ ফোন নম্বরই মিথ্যা পরিচয়ের ভিত্তিতে পাওয়া। ফলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে কোনও লোককে ধরতে পারছিল না। অনেক কষ্টে একটা নম্বর ট্রেস করে পুলিশ জানতে পারে কিশোরটিকে গাজিয়াবাদের মোহন নগর এলাকায় রাখা হয়েছে। এদিকে পুলিশ সেই জায়গায় আসছে এই খবর পেয়ে যায় অপহরণকারীরাও। তাঁরা অপহৃতের কোনওরকম ক্ষতি না করে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের ধরতে নেমে পুলিশ দলের মাথার খোঁজ পায়।

এই অপহরণের ঘটনার মাথাই হচ্ছেন জ্যাভলিন থ্রোয়ার সোহানভির চৌধুরি। যিনি জাতীয় স্তরে-র বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন। ২০১১ সালে গুয়াহাটিতে জাতীয় প্রতিযোগিতার আসরে রূপো পেয়েছিলেন এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার। তাঁর উত্তরপ্রদেশ কনস্টেবলের প্রাক্তন কমান্ডার। ২৮ বছরের সোহনাভি এই অপহরণ প্ল্যান করেছিলেন। পাঁচ কোটি টাকার নেশায় এত বড় অনৈতিক কাজ করে আপাতত শ্রীঘরে তিনি। ধরা পড়েছেন তাঁর আরও চার সঙ্গী। বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

এদিকে মেরঠ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এটা সোহনভিরের প্রথম অপরাধমূলক কার্য নয়। এর আগেও তিনি সফলভাবে দুটি অপহরণ কান্ড করেছেন। এদিকে এঁর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে অপহরণ হওয়া কিশোরের প্রেমিকার নামও। মেরঠ ক্যান্টনমেন্টের বাইরের এক বেকারি-র সামনে কিশোরের প্রেমিকা তাঁকে দেখা করতে ডেকেছিলেন, আর সেই সময়েই সোহনভির চৌধুরি এন্ড কোং তাঁকে কিডন্যাপ করে।












Click it and Unblock the Notifications