সাত্ত্বিক-চিরাগ জুটির ঐতিহাসিক সাফল্য, এশীয় ব্যাডমিন্টন ডাবলসে প্রথম সোনা ভারতের
দুবাইয়ে এবার ব্যাডমিন্টন কোর্টে বাজিমাত সাত্ত্বিকসাইরাজ রাঙ্কিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টির জুটির। পদক নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। আজ নির্ধারিত হলো পদকের রং। ব্যাডমিন্টন এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপের ডাবলসে এই প্রথম ভারতের ঘরে সোনা এলো।
এই ঐতিহ্যশালী প্রতিযোগিতা থেকে ভারতে সোনা আসার ৫৮ বছরের খরাও মেটালেন সাত্ত্বিক-চিরাগ। ১৯৬৫ সালে সিঙ্গলসে সোনা জিতেছিলেন দীনেশ খান্না। লখনউয়ে তাইল্যান্ডের সাংগব রাত্তানুসর্নকে হারিয়ে। তার এত বছর পর ফের সোনা ভারতের ঝুলিতে।

গত বছর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিল সাত্ত্বিক-চিরাগ জুটি। এদিনের ফাইনালে তাঁদের সামনে ছিল অষ্টম বাছাই মালয়েশিয়ার ওং ইউ সিন ও তেও এ ই-র জুটি। প্রথম গেম হেরে পিছিয়ে পড়েছিলেন সাত্ত্বিক-চিরাগ। যদিও এরপরই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। ভারতের ডাবলস জুটি এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল ষষ্ঠ বাছাই হিসেবে।
দুবাইয়ে ৬৭ মিনিট ধরে চলা ফাইনালে আজ ভারতীয় জুটির জয় ১৬-২১, ২১-১৭, ২১-১৯ ব্যবধানে। ফলাফল দেখলেই বোঝা যাচ্ছে কতটা হাড্ডাহাড্ডি টক্কর হয়েছে। শেষ হাসি হাসলেন সাত্ত্বিক-চিরাগ। এর আগে এশীয় ব্যাডমিন্টনের ডাবলসে ভারতের সেরা পারফরম্যান্স ছিল ১৯৭১ সালে। সেবার দীপু ঘোষ ও রামন ঘোষের জুটি জিতেছিল ব্রোঞ্জ।

প্রথম গেমের মাঝামাঝি মালয়েশীয় জুটি এগিয়ে ছিল মাত্র এক পয়েন্টে (১৩-১২)। যদিও এরপর টানা ৬টি পয়েন্ট জিতে সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে যায়। সহজেই জিতে নেয় প্রথম গেম। দ্বিতীয় গেমেও চিরাগরা একটা সময় পিছিয়ে ছিলেন ৭-১৩ ব্যবধানে। এরপর টানা পাঁচ পয়েন্ট জিতে লড়াইয়ে ফেরে ভারতীয় জুটি। আগ্রাসী মেজাজে খেলে ১৫-১৪-তে এগিয়েও যায়।
এরপর টানা ৬টি পয়েন্ট জিতে নেন সাত্ত্বিক ও চিরাগ। দ্বিতীয় গেম তাঁরা জিতে নেন দাপুটে কামব্যাকের মাধ্যমেই। তৃতীয় গেমের মাঝামাঝি পর্যায়ে মালয়েশীয় জুটি তিন পয়েন্টের লিড আদায় করে নিয়েছিল। একটা সময় ১১-১৫ ব্যবধানে পিছিয়েও পড়েন চিরাগ-সাত্ত্বিক জুটি। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতে নেন টানা চারটি পয়েন্ট।

১৮-১৭-তে এগিয়ে যাওয়ার পর চিরাগ দুটি পয়েন্ট নিশ্চিত করেন ক্রস কোর্ট স্ম্যাশের মাধ্যমে। দুবার চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট বাঁচায় মালয়েশীয় জুটি। যদিও তেওর দিকে বডি স্ম্যাশ পাঠিয়ে সাত্ত্বিক ম্যাচ তথা সোনার পদক সুনিশ্চিত করেন।












Click it and Unblock the Notifications