গুরু গোপীর কাছে প্রত্যাবর্তন শিষ্যা সাইনার, আসবে চ্যাম্পিয়নের মত সাফল্য
বিরোধ ঘুচে গেল , ফের গোপী স্যারের কাছে ট্রেনিংয়ে ব্যস্ত সাইনা নেহওয়াল
মধ্যে বয়ে গেছে তিন বছর। কথা বলার পরিস্থিতি অবধি ছিলনা সাইনা নেহওয়াল এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদের। তবে সেই তিন বছরের অধ্যায় পেরিয়ে ছাত্রী -গুরুর সম্পর্কে নতুন মোড়। আবার হায়দরাবাদে গোপীচাঁদের অ্যাকাডেমিতে গুরু -শিষ্যার পূণর্মিলন।

২০১৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর , বেঙ্গালুরুতে ট্রেনিং করার কথা বলে হায়দরবাদকে টাটা করে দিয়েছিলেন সাইনা নেহওয়াল। কেন ছেড়ে গিয়েছিলেন তা নিয়ে সরকারি ভাবে একটাই বক্তব্য পাওয়া গিয়েছিল সাইনার পক্ষ থেকে। তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে থাকলে তাঁর সুবিধা হবে তাই ছাড়ছেন হায়দরাবাদ। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহল জানত সাইনা-র দুঃখ ছিল তাঁকে আর আগের মত সময় দেননা কোচ গোপীচাঁদ।
আসলে পিভি সিন্ধুর উত্থানটা নাকি ঠিকভাবে মেনে নিতে পারেননি সাইনা. আর তাই থেকেই দূরত্ব বেড়েছিল দু'জনের। কোচের সঙ্গে ছাড়া সিন্ধুর সঙ্গেও কথা বন্ধ ছিল সাইনা নেহওয়ালের। অন্তর্মুখী গোপীচাঁদ অবশ্য কোনও দিনই এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। কারণ তাঁর এই ছাত্রীর প্রতি তাঁর ভালবাসা অপরিসীম।
অবেশেষ গ্লাসগোয় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে বরফ গলে। ফের নিজের গোপী স্যারের সঙ্গে কথা বলেন সাইনা নেহওয়াল। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন সাইনা। দেশে ফিরে ফের হায়দরাবাদে গোপীচাঁদের অ্যাকাডেমিতে অনুশীলনও শুরু করেছেন তিনি। এতেই শেষ নয় ওয়াকিবহাল মহলে জল্পনা এই মুহূর্তে গোপীঁচাদ সিন্ধু, কাশ্যপ, কিদম্বি শ্রীকান্ত , প্রণয়দের নিয়ে যে পরিমাণ ব্যস্ত তাতে কী করে নতুন করে সাইনাকে সময় দেবেন। তবে এই দু'জনের সম্পর্কের বন্ধন এতটাই দৃঢ় যে সাইনা জানেন তাঁর কোচ ফের তাঁর জন্য সময় বার করবেন।
কারণ এর আগে ২০১০ সালে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতার পরও মাস ছয়েকের জন্য গোপী স্যার কে ছেড়ে গিয়েছিলেন সাইনা। ট্রেনিং করেছিলেন ভাস্কর বাবুর তত্বাবধানে। সেবার অনেক তাড়াতাড়ি ঘুচেছিল দূরত্ব। এবার যা ঘুচতে তিন বছর লেগে গেল। সব মিলিয়ে এই জুটি-র সাফল্যের আশায় গোটা দেশের ব্যাডমিন্টন ফ্যানরা।












Click it and Unblock the Notifications