রিও অলিম্পিকে পিভি সিন্ধু : তাঁকে নিয়ে কিছু জরুরি তথ্য একনজরে
২০১২ লন্ডন অলিম্পিক্সে পদক জয়ীদের তালিকায় নাম ছিল সাইনা নেহওয়ালের। সেবার অলিম্পিকে অংশ নিয়েছিলেন সিন্ধু। তবে পদক আনতে পারেননি। চারবছর আগে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। [পিভি সিন্ধুর পদক তালিকা একনজরে]
তবে সেবারই তিনি বুঝিয়েছিলেন, ভারতের খেলাধুলোর ইতিহাসেস বিশেষ করে ব্যাডমিন্টনে নিজের নাম চিরস্মরণীয় করে রাখার মতো ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। আর এবার চারবছর পরে রিও অলিম্পিকের আসরে ব্যাডমিন্টনে মহিলাদের সিঙ্গলসে একেবারে ফাইনালে উঠে তিনি বুঝিয়ে দিলেন তাঁকে নিয়ে আশা করে দেশবাসী ভুল কিছু করেনি। [রিও অলিম্পিক ২০১৬ : ইতিহাস সৃষ্টি করে ব্যাডমিন্টন ফাইনালে ভারতের পিভি সিন্ধু]
সাইনা নেহওয়াল দ্বিতীয় রাউন্ডে ছিটকে যাওয়ার পরে ব্যাডমিন্টনে দেশকে পদক এনে দেওয়ার দায়িত্ব নিজে থেকেই কাঁধে নিয়েছিলেন সিন্ধু। আর সেই দায়িত্ব পূরণ করে তবে ছেড়েছেন। আপাতত ফাইনালে ওঠায় অন্তত রুপোর পদক জয় নিশ্চিত করে ফেলেছেন তিনি। আর যদি ফাইনালে স্পেনের ক্য়ারোলিনা মারিনকে হারিয়ে দিতে পারেন তবে প্রথম মহিলা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় হিসাবে সোনা পাবেন সিন্ধু।
মাত্র ২১ বছর বয়সেই সিন্ধু যা করে দেখালেন তা দেখে কুর্নিশ করছে গোটা ভারত। একনজরে জেনে নিন সিন্ধুকে নিয়ে কিছু জরুরি তথ্য একনজরে।

হায়দ্রাবাদে জন্ম সিন্ধুর
পিভি সিন্ধু ওরফে পুসারলা ভেঙ্কট সিন্ধুর জন্ম ১৯৯৫ সালের ৫ জুলাই হায়দ্রাবাদে (বর্তমানে তেলঙ্গানা)।

বাবা-মা ভলিবল খেলোয়াড়
তাঁর বাবার নাম পিভি রামান্না ও মায়ের নাম পি বিজয়া। এরা দুজনেই ভলিবল খেলোয়াড় ছিলেন। রামান্না ২০০০ সালে অর্জুন পুরস্কারও পেয়েছেন।

অনুপ্রেরণা পুল্লেলা গোপীচাঁদ
তবে বাবা মায়ের মতো ভলিবল না খেলে ব্যাডমিন্টনের ব্যাট হাতে তুলে নিয়েছিলেন সিন্ধু। কারণ তাঁর অনুপ্রেরণা ছিলেন ভারতের আর এক ব্যাডমিন্টন তারকা পুল্লেলা গোপীচাঁদ, যিনি বর্তমানে সিন্ধুর কোচও বটে।

গোপীচাঁদের ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমিতে ভর্তি
মাত্র ৮ বছর বয়স থেকে সিন্ধু ব্যাডমিন্টন খেলতে শুরু করেন। প্রথমে তাঁর কোচ ছিলেন মেহবুব আলি। পরে তিনি পুল্লেলা গোপীচাঁদের ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন।

কঠোর পরিশ্রম
সিন্ধুর বাড়ি থেকে গোপীচাঁদের অ্যাকাডেমির দূরত্ব ছিল ৫৬ কিলোমিটার। প্রতিদিন এতটা পথ বয়ে এসে ব্যাডমিন্টনের পাঠ নিতেন সিন্ধু।

সিন্ধুর হার না মানা মনোভাব
সিন্ধুকে নিয়ে বলতে গিয়ে গোপীচাঁদ একবার বলেছিলেন, সিন্ধুর সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল তাঁর মানসিকতা ও কখনও হার না মানা মনোভাব।

সিন্ধুকে পদ্মশ্রী
ব্যাডমিন্টনে তাঁর অবদানের জন্য ২০১৫ সালে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মশ্রীতে ভূষিত হয়েছেন পিভি সিন্ধু।












Click it and Unblock the Notifications