পুল্লেলা গোপীচাঁদের হাত ধরে বিশ্ব ব্যাডমিন্টনের শিখরে ভারত
রিও দে জেনেইরো, ২০ অগাস্ট : ৪২ বছর বয়সী পুল্লেলা গোপীচাঁদ 'গোপী আন্না' হিসাবে অনেকের কাছে পরিচিত। অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথার এই মানুষটির হাত ধরেই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন এক নতুন শিখরে পৌঁচেছে। প্রথমে সফল খেলোয়ার তারপর একজন দক্ষ কোচের ভূমিকা পালন করলেও নিজেকে এতটুকু বদলাননি। বেশি কথা বলা পছন্দ না করলেও কাজের মধ্যে দিয়েই তাঁর দক্ষতা প্রকাশ পায়।[সিন্ধুর প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যারোলিনা মারিন সম্পর্কে এই অজানা তথ্যগুলি অবশ্যই জেনে নিন]
রিও অলিম্পিকে সিন্ধুর রুপো জয়ে সারা দেশ গর্বিত হয়েছে। কিন্তু এই জয়ের কারণ হিসাবে অনেকেই তার কোচ পুল্লেলা গোপীচাঁদকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন। আর দেবেন নাই বা কেন। গোপীচাঁদ হাত ধরেই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন আজ বিশ্বের সামনে নয়া নজির গড়তে সক্ষম হয়েছে। সিন্ধুর জয়ের পরে অনেকেই গোপীচন্দকে 'কুল কোচ' এর খেতাব দিয়ে দিয়েছেন।[একটি কিডনি নিয়েও অলিম্পিকে পদক জিতলেন এই ব্যক্তি]

২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে সাইনা নেহওয়াল ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন। তখন তার কোচ ছিলেন এই গোপীচন্দ। ব্যাডমিন্টনে বিশ্ব ক্রমতালিকায় সাইনার দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পিছনে সবথেকে বড় কৃতিত্ব ছিল কোচ গোপীচাঁদের। পরে অবশ্য সাইনা যখন ব্যাডমিন্টনে বিশ্ব ক্রমতালিকায় প্রথম স্থান দখল করেছিলেন তখন তার কোচ ছিলেন বিমল কুমার।
১৯৫০-৬০ এর দশকে বিশ্বের সামনে ব্যাডমিন্টনে ভারতের অবস্থান বেশ সম্মানজনক জায়গায় ছিল। গোপীচাঁদ কোচের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকে অনেকেই সেই স্বপ্ন আবার দেখতে শুরু করেছেন। প্রথমে সাইনা তারপর সিন্ধু মতো তারকা খেলোয়ার যেমন তৈরি করেছেন গোপীচাঁদ তেমনি পদক জয়ের তালিকাতেও নতুন নতুন কৃতিত্বের সংযোজন তার হাত ধরেই ঘটেছে।[ডোপিং বিতর্কে চারবছরের জন্য নির্বাসিত কুস্তিগীর নরসিংহ যাদব]
২০১৬ রিও অলিম্পিকে দ্বিতীয় স্থান দখল করাটা প্রত্যেক ভারতীয়র কাছেই গর্বের বিষয়। কিন্তু পুল্লেলা গোপীচন্দের কাছে সাইনা বা সিন্ধুর মতো তারকা খেলোয়ারের কৃতিত্বে দেশের সম্মান বাড়ছে সেটাই সেটা সবচাইতে গর্বের। আগামী দিনেও সফলতার শিখরে পৌঁছানোর সেই প্রয়াস জারি থাকুক গোপীচন্দের হাত ধরে এখন এই প্রার্থনাই করছে সারা দেশবাসী। [৪০০ মিটারে জিতে সোনা জয়ের ট্রিপল হ্যাটট্রিক করলেন উসেইন বোল্ট]












Click it and Unblock the Notifications