Paris Paralympics 2024: সক্ষমদের সঙ্গে অনুশীলন করে বাড়িয়েছেন দক্ষতা, কোহলির বিরাট ভক্ত সোনার ছেলে নীতেশ
'নেভার গিভ আপ', নীতেশ কুমারের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল সার্চ করলেই আপনার প্রথমেই চোখে পড়বে এই বাক্যটি। প্যারালিম্পিক্সে সোনাজয়ী ভারতীয় শাটলারের কাছে এটা শুধু একটা বাক্য নয়। একইসঙ্গে জীবন যুদ্ধের মন্ত্র। জীবন যেন এক টান টান থ্রিলার ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্য।প্যারালিম্পিক্সে প্রথম ভারতীয় হিসেবে ব্যাডমিন্টনে সোনা জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন নীতেশ।
আইআইটি মান্ডির গ্র্যাজুয়েট নীতেশ এক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন ২০০৯ সালে। শরীরের নিম্নাংশে যাঁদের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তাঁরা এসএল থ্রি বিভাগে লড়েন।নীতেশ এক জন ইঞ্জিনিয়ার। কলেজে পড়ার সময়েই ট্রেন থেকে পড়ে গিয়ে বাঁ পা বাদ যায় তাঁর। নকল পা লাগিয়ে হাঁটাচলা করেন তিনি। কিন্তু দুর্ঘটনার পরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা একেবারেই কমেনি নীতেশের। নীতেশের জীবনের গল্পটা তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।

বিশাখাপত্তনমে একটি গুরুতর দুর্ঘটনায় জড়িয়ে পড়ার সময় তাঁর জীবন এক কঠিন মোড় নেয়, কয়েক মাস ধরে তাকে শয্যাশায়ী রেখে দেয় এবং তার পায়ে স্থায়ী ক্ষতি হয়। পায়ের শক্তি অনেকটা কমে যাওয়া সত্ত্বেও, খেলাধুলার প্রতি নীতেশের আবেগ কখনই কমে যায়নি। আইআইটি-মান্ডিতে থাকাকালীন তিনি ব্যাডমিন্টনের প্রতি গভীর আগ্রহ আবিষ্কার দুর্ঘটনার পর এই খেলাটিকে বেছে নিলেন।
বছরের পর বছর ধরে, নীতেশ তাঁর ব্যাডমিন্টন দক্ষতার উন্নতির জন্য অনুশীলন করে গিয়েছেন, যখনই তিনি সুযোগ পেতেন তখনই প্রায়শই সক্ষম শারীরিক সমবয়সীদের সাথে প্রতিযোগিতা করেন। পেশাদারভাবে প্যারা স্পোর্টসে যোগদান তাঁর খানিকটা নাটকীয়ভাবেই, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একটি সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল। এই ইভেন্টটি নীতেশের জন্য নতুন সুযোগের সূচনা কর। ২০১৬ সালে, তিনি হরিয়ানা দলের প্রতিনিধিত্ব করে ফরিদাবাদের প্যারা ন্যাশনালসে প্রথমবার জাতীয় স্তরে আত্মপ্রকাশ প্রথম প্রতিযোগিতাতেই ব্রোঞ্জ পদক জিতে নেন।
নীতেশ আবার কোহলির বিরাট ভক্ত। কোহলির প্যাশন তাঁকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করেই বলেই জানিয়েছেন নীতেশ। এক পায়েই সোনা জিতেছেন ভারতের প্যারা শাটলার। এরআগে ২০১৮ এবং ২০২২ সালে প্যারা এশিয়ান গেমসে সোনা সহ একাধিক পদক জিতেছেন নীতেশ। কিন্তু প্যারালিম্পিক্সের মঞ্চে অধরা ছিল পদক। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হল তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications