Paris Olympics 2024: প্যারিসে সোনা জিতেও থামতে চান না, পরের লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন জকোভিচ
তাঁর কেরিয়ার জুড়ে সাফল্য কম নেই, কিন্তু অভাব ছিল একটারই, সেটা অলিম্পিক্সে সোনার পদক। অবশেষে সেই আক্ষেপও পূরণ করে ফেললেন নোভাক জকোভিচ। রবিবার রোলাঁ গারোয় দীর্ঘদিনের অপূর্ণ স্বপ্নটা পূরণ করলেন জোকার। প্যারিসেই জিতলেন অলিম্পিক্সের সোনার পদক।
নোভাক জকোভিচ প্যারিস অলিম্পিক্সে স্বর্ণপদক জেতার মধ্য দিয়ে তাঁর বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছেন। অলিম্পিক্সে সোনা জয়কেই জোকার "সম্ভবত সবচেয়ে বড় ক্রীড়া সাফল্য" বলেছেন। তবে এখানেই থামতে চান সার্বিয়ান তারকা। চার বছর পর ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সেও খেলার লক্ষ্য রয়েছে তাঁর। চার বছর পর জকোভিচের বয়স হবে ৪১।

সোনা জয়ের পর সার্বিয়ান তারকা বলেছেন, "এটি সম্ভবত আমার কেরিয়ারে সবচেয়ে বড় সাফল্য এবং সবচেয়ে বিশেষ অনুভূতি। আমি ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে খেলতে চাই, আমি আমার দেশের হয়ে অলিম্পিক্স গেমসে, ডেভিস কাপে খেলা উপভোগ করি।' জকোভিচ ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন এবং প্যারিস গেমসে স্বর্ণপদক জয় করার আগে তিনটি সেমিফাইনালে হেরেছিলেন।
জকোভিচ আরও বলেছেন, আমি ভেবেছিলাম ২০১২ সালের অলিম্পিক্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের হয়ে পতাকা বহন করাটাই একজন অ্যাথলিট হিসেবে এর আগে অবধি আমার সেরা অনুভূতি ছিল। কিন্তু সোনা জয় সেটাকে ছাপিয়ে গেল।"
জকোভিচ, যিনি পুরুষদের রেকর্ড ২৪টি মেজর গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন এবং টেনিসের প্রতিটি শিরোপা জিতেছেন, অবশেষে তার পঞ্চম গেমসে অলিম্পিক্সে সোনা জিতেছেন। তিনি আলকারাজকে পরাজিত করতেও সক্ষম হন, যিনি পরপর দুটি উইম্বলডন ফাইনালে হারের বদলাও প্যারিসে নিলেন জকোভিচ।
ম্যাচ শেষে কোর্টেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জকোভিচ। এরপর সার্বিয়া পতাকা নিয়ে সোজা গ্য়ালারিতে। ছোট মেয়েকে কোলে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। টেনিসে চার গ্র্যান্ড স্লাম আর অলিম্পিক্সে সোনা জয়কে বলা হয় 'গোল্ডেন স্ল্যাম'। বিশ্বের পঞ্চম টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে সেই নজিরও গড়লেন জকোভিচ। বাকি চারজন হলেন স্টেফি গ্রাফ, আন্দ্রে আগাসি, রাফায়েল নাদাল আর রজার ফেডেরার।
জোকোভিচ বলেন, "আমরা প্রায় তিন ঘণ্টা খেলেছি, ফাইনাল শটটি ছিল একমাত্র মুহূর্ত যখন আমি নিশ্চিত ছিলাম যে আমি ম্যাচ জিততে পারব। আমি জানতাম যে এটি আমার সোনার পদকের শেষ সুযোগ হতে পারে।"












Click it and Unblock the Notifications