Paris Olympics: স্বীকৃতি নেই দুই কোচের, ন্যাশনাল রাইফেল সংস্থার কাছে জসপাল-দীপালিদের প্রাপ্তি অবহেলা
একজন ক্রীড়াবিদের সাফল্যের নেপথ্যে বড় অবদান থাকে তাঁর কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফদের। মনু ভাকেরের সাফল্যেও ক্ষেত্রেও একইরকম অবদান আছে জসপাল রানার। কিন্তু তাঁর অবদানের কোনও মূল্যই দেওয়া হচ্ছে না। অলিম্পিক্স চলাকালীন জসপাল রানার করুণ কাহিনি প্রকাশ্যে এসেছিল। ছাত্রী অলিম্পিক্সে জোড়া পদক জিতেছেন। কিন্তু গুরু পাচ্ছেন না যোগ্য সম্মান।
ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাশোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে প্যারিস অলিম্পিক্সে পদকজয়ী তিন ভারতীয় শ্যুটারকে আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছে। জোড়া পদক জয়ের জন্য মন ভাকেরকে ৩০ লক্ষ চাকা এবং বাকি দুই শ্যুটারকে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি বিদেশি কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদেরও পুরস্কৃত করা হয়েছে। কিন্তু ব্রাত্যই থেকে গেলেন মনুর কোচ জসপাল রান এবং স্বপ্নিল কুসালের কোচ দীপালি দেশপাণ্ডে।

মনু ভাকরের উত্থানে বড় অবদান আছে জসপাল রানার।২০২০ টোকিও অলিম্পিক্সে মনুর উপরে আশা করেছিলেন আপামর ভারতবাসী। কিন্তু সেখান থেকে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছিল প্রতিভাবান শ্যুটারকে। একেবারে শেষ মুহূর্তে পিস্তল বিকল হয়ে যায় তাঁর। ছাত্রীর অসফলতায় রাতারাতি ভিলেন হতে হয়েছিল মনুর কোচ জসপাল রানাকেও। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে সব অপমানের জবাব দিয়েছেন মনু।
টোকিও অলিম্পিক্সের পর প্রবল সমস্যায় পড়েন মনুর কোচ। স্রেফ আর্থিক সমস্যা নয়, মানসিকভাবেও রীতিমতো হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন জসপাল। তাঁর কথায়, রাতারাতি সবার চোখে ভিলেন হয়ে যান তিনি। কোনও স্পোর্টস ইভেন্টে আমন্ত্রণ পেতেন না। সাক্ষাতকার নিতে চাইত না কেউ। ফলত নিজের অর্থ সমস্যার কথাও কাউকে জানাতে পারতেন না জসপাল।
জসপাল রানা ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাশোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার বা সাইয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নন তিন বছর ধরে। অথচ মনু ভাকেরকে দিনের পর দিন প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তৈরি করেছেন এক চ্যাম্পিয়ন। আইওএ সভাপতি পিটি উষার সৌজন্যে প্যারিস অলিম্পিক্সে কার্ড হয়েছিল রানার। তাই মনুর সঙ্গে প্যারিসে যেতে পেরেছিলেন।
রানার মতোই একই অবস্থা দীপালি দেশপাণ্ডের। কারণ তিনিও ব্রাত্য জনের তালিকা। অথচ স্বপ্নিল কুশালের কাছে তিনিড শুধু কোচ নন, মায়ের সমান। কিন্তু দুই কোচই পেলেন না যোগ্য সম্মান। শিক্ষক দিবসের সপ্তাহের এরথেকে খারাপ কী হতে পারে ভারতীয় খেলাধুলায়।












Click it and Unblock the Notifications