National Games 2025: কাঁধে চোট নিয়েই জোড়া পদক! বাংলায় পর্যাপ্ত সাহায্য না পাওয়া নিয়েও অকপট মৌমিতা
জাতীয় গেমসে এবার বাংলার মুখ উজ্জ্বল করছে অ্যাথলিটরা। মহিলাদের ১০০ মিটার হার্ডলসে রুপো জয়ে পাশাপাশি লং জাম্পে সোনা জিতেছেন বাংলার মৌমিতা মণ্ডল। লং জাম্পে মৌমিতার সেরা প্রয়াসটি ছিল ৬.২১ মিটারের। যার ফলে একই দিনে রুপোর পর সোনা জেতার নজির গড়েছেন বঙ্গ কন্যা। জোড়া পদক জয়ের পরই নিজের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মৌমিতা।
২০২১ সাল থেকেই রিলায়েন্সের অধীনে রয়েছেন মৌমিতা। প্রথমে ভুবনেশ্বরে ট্রেনিং করতেন বর্তমানে মুম্বইতে ট্রেনিং করেন। এই প্রসঙ্গে মৌমিতা বলেন, আমি খেলাধুলার শুরু থেকেই রিলায়েন্সের অধীনে রয়েছি, প্রথমে ভুবনেশ্বরে ট্রেনিং করতাম পরে মুম্বই চলে যাই। মুম্বইয়ে একজন ক্রীড়াবিদের যে জিনিস গুলো প্রয়োজন সবগুলোই আছে। দুটি পদক জিতলেও ডায়েট নিয়ে সতর্ক মৌমিতা। তিনি বলেন দিলেন, ডায়েট কোনও ভাবেই লঘ্ঙন করা যাবে না তবে মুম্বইয়ে গিয়ে অবশ্যই পাণিপুরী খাবো।

১০০ মিটার হার্ডলসে সোনা জিতেছেন অন্ধ্র প্রদেশের জ্যোতি ইয়ারাজি। জাতীয় গেমসে প্রতিপক্ষ হলেও জ্যোতি ইয়ারাজির থেকে তিনি যে অনেক সাহায্য পেয়েছেন তা বলছেন মৌমিতা। তাঁর কথায়, জ্যোতি দিদি আমাকে সব সময় গাইড করেন। এখানেও অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। হিটে ভালো ফল করার পর আমার মধ্যে একটা উত্তেজনা আসে। কিন্তু কোচ বলেন শান্ত থাকো ,ফাইনালে ফোকাস করো। সেটাই করেছি।
লং জাম্পে এবার দেশের অনেক ভালো প্রতিযোগিতারা অংশ নেননি। তাতে কি তাঁর সোনা জয়ের পথ সুগম হল, এই প্রশ্নের উত্তরে মৌমিতা বলেন, আসলে সবাই এলে ভালো লাগে। আমরা একে অপরকে অনেক উৎসাহ জোগাই। তবে এখানে বেশিরভাগ জনই অংশ নেননি। তবে আমি মাঝে মধ্যে লং জাম্প করি, নিয়মিত ট্রেনিং করি না।
একইসঙ্গে মৌমিতা বলেন, বাংলা থেকে এই ইভেন্টে দুই জন অলিম্পিয়ান আছেন একজন সোমা বিশ্বাস এবং অন্যজন সুস্মিতা সিংহ রায়, স্বপ্না বর্মণও এশিয়াডে সোনা পেয়েছেন। সবাই আমাকে পরামর্শ দেন, গাইড করেন। এটা খুবই শক্ত ইভেন্ট। প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে।
গত ৮-৯ মাস ধরে কাঁধের চোটের সমস্যা ভুগেছেন, চোট নিয়েই জাতীয় গেমসে অংশ নিয়েছেন এবং দুটি পদক জিতেছেন। এবার মৌমিতার লক্ষ্য ফেড কাপ। তাঁর কথায়, গত ৮-৯ মাস ধরে আমার কাঁধে একটা চোট আছ। আশা করছি আগামী কয়েক মাসে পুরো ফিট হয়ে যাবো। আমার পরের লক্ষ্য ফেড কাপ। আশা করছি সেখানে আরও ভালো পারফরম্যান্স করতে পারব।
বাংলার হয়ে পদক জিতেও কিছুটা অভিমানী মৌমিতা। তাঁর কথায়, আমাদের প্রতিভাার অভাব নেই। কিন্তু বাংলায় খুব বেশি সহযোগিতা পাওয়া যায় না। যেটা তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্রে পাওয়া যায়। যদি সঠিক সহযোগিতা থাকে তাহলে আরও বেশি চ্যাম্পিয়ন সেখান থেকে উঠে আসবে।












Click it and Unblock the Notifications