(ছবি) মোহনবাগানকে জেতাতে শহরের নানা প্রান্তে এই প্রথম বসেছে জায়ান্ট স্ক্রিন
কলকাতা, ৩১ মে : এক যুগেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। তবুও আই লিগ ঘরে তুলতে পারেনি দেশের অন্যতম সেরা ক্লাব মোহনবাগান।
২০০১-২০০২ মরসুমে সেই হোসে রামিরেজ ব্যারেটোর সময়ে শেষবার ভারত সেরা হয়ে আই লিগ জিতেছিল মোহনবাগান। তারপর এতদিন শুধুই ব্যর্থতার ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে শতাব্দি প্রাচীন গঙ্গাপারের ক্লাবটি।
তবে এবার সুযোগ এসেছে। শুধুমাত্র ড্র করতে পারলেই ফের একবার অতীতের গৌরব ফেরত আনতে পারবেন এখনকার মোহনবাগান খেলোয়াড়রা। চতুর্থবার যে আই লিগ জেতার সেরা সুযোগ রয়েছে তা জানেন মোহনবাগান সমর্থকেরা। আর তাই জয়কে উৎসবে পরিণত করার সবরকম আয়োজনই সেরে রেখেছেন সকলে।
এই প্রথম আই লিগের কোনও ম্যাচ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানোর ব্যবস্থা করেছেন মোহনবাগানীরা। শোভাবাজার সুতানটী পরিষদে, মোহনবাদান লেনে, শ্রীরামপুর রাজবাড়ি মাঠে খেলা দেখানো হবে জায়ান্ট স্ক্রিনে। এছাড়াও হাওড়া, কলকাতা, দুই উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় সবাই মিলে একসঙ্গে বসে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখবেন সমর্থকেরা।
সবশেষে এখন শুধু অপেক্ষা চতুর্থবার লিগ জিতে ভারতসেরা হওয়ার। আর সেদিকেই তাঁকিয়ে গোটা মোহনবাগান আবেগ।

স্পাঞ্জিং আর্ট
প্রথমে ট্রান্সপারেন্ট নেলপলিশ লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে কালো রংয়ের নেলপলিশ লাগান। শুকিয়ে গেলে গোলাপী রংয়ের নেলপালিস ২ টো ছোট ফোঁয়া ফেলুন নখে। এবার একটা অসমান স্পঞ্জ দিয়ে একবারে টেনে নিন। একটা প্যাটার্ন তৈরি হবে। শুকিয়ে গেলে উপরে আবার ট্রান্সপারেন্স নেলপলিশের একটি কোট দিয়ে লক করে দিন।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
বেঙ্গালুরুর স্টেডিয়ামে আজ সন্ধ্যায় এভাবেই ভিড় জমাবেন মোহন সমর্থকেরা।

মার্কারের কেরামতি।
আগের মতোই বেস নেলপলিশ লাগিয়ে নিন। এরপর যে কোনও গাঢ় রং, (কালো হলে সবচেয়ে ভাল হয়) লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে সুরু মার্কার দিয়ে নখে নক্সা বানিয়ে নিন পছন্দ মতো। ট্রান্সপারেন্ট নেলপলিশ লাগিয়ে লক করে দিন।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
আজ ড্র করলেই সারা ভারতেই এভাবেই উড়বে সবুজ-মেরুন পতাকা।

তুলির ছোঁয়ায়
যে কোনও গ্লিটার দেওয়া হাল্কা রং লাগিয়ে নিন। এর উপরে সরু মুখের তুলি দিয়ে কনট্রাস্ট রং বা কালো দিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো সোজা-তেরছা দাগ কেটে নিন।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
শোভাবাজার সুতানটী পরিষদে আজ সন্ধ্যায় এখানেই খেলা দেখানো হবে জায়ান্ট স্ক্রিনে।

ভরাট
এক্ষেত্রে যে কোনও ৩-৪ টি নেলপলিশের রং লাগবে। প্রথমে সাদা রং দিয়ে পুরো নখ ভরে নিন। এবার নিজের মতো ভেবে কোন অংশে কোন রং দিয়ে ভরাট করবেন তা একটি মার্কাররে সাহায্যে নখে এঁকে নিন। এবার পছন্দের রং দিয়ে সেই অংশগুলি আলাদা আলাদে করে ভরাট করে দিন। ছবিটি দেখলেই বুঝতে পারবেন। শেষে সুরু মুখো তুলির সাহায্যে কালো রং দিয়ে ফিনিশিং টাচ দিয়ে দিন।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
এদিন দলে দলে সমর্থকেরা বেঙ্গালুরুতে পৌঁছে গিয়েছেন। স্টেডিয়ামে সিটের অপ্রতুলতায় গ্যালারির একটি অংশ খুলে দিতে বাধ্য হয়েছে আই লিগ আয়োজকেরা। তা সত্ত্বেও সবাইকে জায়গা দেওয়া যায়নি।

সেলোটেপ চাই...
প্রথমে বেস কালার লাগিয়ে নিন। যে কোনও নুড কালার ব্যবহার করলেই এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভাল লুক আসবে। নেল পলিশ শুকিয়ে গেলে যেই অংশটায় রং চাই তা বাদে বাকি অংশ সেলোটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে নিন ভাল করে। খোলা অংশে লাল বা গোলাপী বা আপনার পছন্দের যে কোনও ভাইব্রেন্ট রং লাগিয়ে নিন। এই রং শুকিয়ে গেল সেলোটেপ খুলে দিন। সরু তুলির সাহায্যে (ছবিতে যেভাবে দেখানো হয়েছে) নখের কোণের দিকে প্যাটার্ন বানিয়ে নিন।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
২০০১-২০০২ মরসুমে সেই হোসে রামিরেজ ব্যারেটোর সময়ে শেষবার ভারত সেরা হয়ে আই লিগ জিতেছিল মোহনবাগান।

লুফার ব্যবহার
প্রথমে হলু বা সোনালি রং দিয়ে নখ ভরাট করে নিন। এবার যতটা অংশে নকশা। চাই সেই অংশটা বাদ দিয়ে বাকিটায় সেলোটেপ লাগিয়ে নিন। এবার একটি পুরনো লুফা নিন। লুফার একটা পরতে গাড় রংয়ের কোনও নেলপলিশ লাগিয়ে দিন ভাল করে। এবার নেলপলিশ লাগানো ওই লুফা আপনার নখের খালি অংশে রাখুন। লুফার জালের ছাপে নখে ফুটে উঠবে সুন্দর নকশা।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
তারপর এতদিন শুধুই ব্যর্থতার ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে শতাব্দি প্রাচীন গঙ্গাপারের ক্লাবটি।

হরেকরকম
মাল্টিকালার নেল এখন ফ্যাশনে ইন। এক একটা নখে এক এক রকম রং করুন। নখের মাথার যে অংশটা সাদা হয় তাতে অন্য রং লাগান। ব্যস বাজিমাত।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
এই প্রথম আই লিগের কোনও ম্যাচ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানোর ব্যবস্থা করেছেন মোহনবাগানীরা।

পোলকা ডট
আপনার পছন্দের রংয়ে নখ ভরে দিন। এবার ইয়ার বার্ডস বা সরু তুলি দিয়ে কনট্রাস্ট রংয়ের ছোট ছোট ডট একে নিন।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
সুদূর বেলজিয়ামেপ ব্রাসেলস থেকে আজ এভাবেই সমর্থন জানাবেন মোহনবাগান সমর্থকেরা।

ম্যাট গ্লস
এই ধরণের নেল আর্ট করা অত্যন্ত সহজ। যে রং ব্যবহার করবেন তার ম্যাট ও গ্লসি দুটি রংই প্রয়োজন হবে। কিন্তু মাথায় রাখবেন যে রংই নিন না কেন ম্যাট রংটা দিয়ে পুরো নখ ঢাকবেন। আর গ্লসি নেলপলিশ দিয়ে প্যাটার্ন বানাবেন।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
দিল্লিতেও পতাকা হাতে মোহন সমর্থকেরা গলা ফাটাবেন প্রিয় দলের হয়ে।

কাগুজে কেরামতি
প্রথমে আপনার পছন্দের রং দিয়ে নখ ভরে দিন। একটা কাগতে ইচ্ছামতো প্যাটার্ন কেটে নক্সা বানিয়ে নিন। এবার ওই নকশা কাটা কাগজটা হাতের উপর রাখুন। কনট্রাস্ট নেলপলিশের কোট দিন। কাগজটা তুললে দেখবেন অপূর্ব নকশা হয়েছে নখে।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
কেরল থেকে বেঙ্গালুরুতে এসে আজ দলের হয়ে গলা ফাটাবেন সমর্থকেরা।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
পাহাড়েও উড়ছে মোহনবাগান পতাকা। সৌজন্যে এক মোহন সমর্থক।

ইতিহাসের হাতছানি মোহনবাগানের সামনে
ক্ষুদে সমর্থকের মাথায় মোহনবাগান ছাঁট। দল জিতলে এরকম উন্মাদনা আরও বাড়বে।












Click it and Unblock the Notifications