Hockey5S: টি২০-র আদলে হকি ফাইভ এস, জানুন নয়া এই হকির নিয়ম-নীতি, খেলার ধরন
আধুনিক সময়ে ক্রমশ বদলে যাচ্ছে খেলাধুলার ধরন। মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে আরও সংক্ষিপ্ত এবং দ্রুত গতির হচ্ছে খেলাধুলা। এই বিষয়ে পথিকৃত অবশ্যই ক্রিকেট। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক হয়েছে বাইশ গজের লড়াই। এবার পথেই হাঁটছে হকিও। সাবেকি ফিল্ড হকির সঙ্গে এসেছে হকি ফাইভ এস।
আগামী বছর ওমানে হবে হকি ফাইভ এসের বিশ্বকাপের আসর। ভারত ইতিমধ্যেই যোগ্যতা অর্জন করেছে।
কিন্তু ফিল্ড হকির তুলনায় কতটা আলাদা হকি ফাইভ এস? সেই বিষয়েই বিস্তারিত ব্যাখা তুলে ধরা এই প্রতিবেদনে।

নতুন এই ফর্ম্যাট হল প্রথাগত হকির থেকে বেশি দ্রুততর এবং সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের মতো, অনেকটা রাগবি সেভেন বা বাস্কেটবলে ৩*৩ খেলার অনুকরণে। হকি ফাইভ এস এর প্রবর্তন হয়েছিল ২০১৩ সালে। প্রধানত খেলাটিকে দ্রুত, সহজতর করে দর্শক সংখ্যা বাড়ানোই এর লক্ষ্য।
নিয়ম অনুসারে, হকি ফাইভএসের মাঠটি সাবেকি হকি খেলার জন্য ব্যবহৃত মাঠের আকারের ঠিক অর্ধেক। মজার বিষয় হল, প্রতিটি প্রতিযোগিতার সঙ্গে মাঠের আকার কিছুটা আলাদা হয়। কিন্তু এফআইএইচের প্রধান নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য ক্ষেত্রের আকার হল ৪০মিটার*২৮ মিটার থেকে ৫৫ মিটার*৪২ মিটার।

ফিল্ড হকির খেলার ক্ষেত্রে যেখানে প্রতি দলে ১১ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণের অনুমতি পায়, হকি ফাইভএসে গোলরক্ষক সহ প্রতি দলে মাত্র পাঁচজন খেলোয়াড় অংশগ্রহণের অনুমতি পায়। তবে ম্যাচ চলাকালীন চারটি পরিবর্তনের নিয়ম কার্যকর রয়েছে।
প্রচলিত হকি থেকে হকির নতুন ফর্ম্যাটের সবচেয়ে বড় পার্থক্য হল সীমানা বোর্ডের উপস্থিতি যা সাধারণত ১০ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার উচ্চতার হয়। ফিল্ড হকিতে, একবার একটি বল প্রান্ত সীমা অতিক্রম করে গেলে বলটিকে ডেড বলে গণ্য করা হয় এবং একটি হিট দিয়ে পুনরায় খেলা শুরু হয়। যাইহোক, হকি ফাইভ এসের ক্ষেত্রে বাউন্ডারি বোর্ডে বল আঘাত করার পরেও খেলা চালু থাকে।
ফিল্ড হকিতে শক্তিশালী গোল করার জন্য সহজ উপায় থাকে পেনাল্টি কর্নার, হকির নতুন ফর্ম্যাটে এই নিয়ম নেই। পরিবর্তে, খেলাধুলার এই ফর্ম্যাটে 'চ্যালেঞ্জ' শব্দের নতন নিয়ম আনা হয়েছে। একটি দলকে একটি চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয় যদি ডিফেন্ডার তাদের নিজের অর্ধে একটি অপরাধ করে প্রতিপক্ষের জন্য একটি সুস্পষ্ট গোল করার ক্ষেত্রে বাধা দান করেন।

একটি চ্যালেঞ্জের সময়, বলটি কোয়ার্টার লাইনে রাখা হয় এবং শুধুমাত্র একজন আক্রমণকারী খেলোয়াড় চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এবং প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক অর্ধে থাকতে পারে। উভয় পক্ষের অবশিষ্ট খেলোয়াড়রা পিচের অন্য অর্ধে দাঁড়াতে বাধ্য। আম্পায়ারের বাঁশি বাজলেই আক্রমণকারী বল খেলা শুরু করে এবং নিজের গোলের লক্ষ্যে এগি্য়ে যায়।












Click it and Unblock the Notifications