Koneru Humpy: বিশ্ব দাবায় চ্যাম্পিয়ন কোনেরু হাম্পি, ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার
Koneru Humpy: চলতি বছর ভারতীয় দাবায় আরও একটি সোনালি সাফল্য। এবার ফিডে পরিচালিত বিশ্ব র্যাপিড দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলেন কোনেরু হাম্পি।
এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এই খেতাব জিতে তিনি গড়লেন ইতিহাস। একাদশ রাউন্ডে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জয় পেতেই খেতাব সুনিশ্চিত হয়ে যায়।

নিউ ইয়র্কে আজই খেতাব জিতলেন কোনেরু। চূড়ান্ত রাউন্ডে কালো ঘুঁটি নিয়ে বছর ৩৭-এর ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার পরাস্ত করলেন ইন্দোনেশিয়ার ইরেন খারিসমা সুকান্দরকে। চিনের চু ওয়েনচুন ও হাম্পি ছাড়া আর কোনও দাবাড়ু মহিলাদের বিভাগে এই খেতাব একাধিকবার জিততে পারেননি।
চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে জয় ছাড়া গতি ছিল না হাম্পির। ফলে চাপের মুখেও অনবদ্য পারদর্শিতা ও বুদ্ধিমত্তায় বিশ্ব র্যাপিড দাবার খেতাব দখলে নিলেন হাম্পি। মহিলা দাবায় ভারতের ১ নম্বর হাম্পি ১১ পয়েন্টের মধ্যে সাড়ে আট পয়েন্ট সুনিশ্চিত করে সকলের শীর্ষে থেকে অভিযান শেষ করলেন।
র্যাপিড দাবা প্রতিযোগিতায় এর আগে মস্কোয় ২০১৯ সালে খেতাব জিতেছিলেন হাম্পি। পাঁচ বছরের ব্যবধানে এলো ঐতিহাসিক সাফল্য। সম্প্রতি দাবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে ক্ল্যাসিক্যাল ফরম্যাটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ডি গুকেশ। বিশ্বনাথন আনন্দের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে তিনি বিশ্ব খেতাবের দখল নেন।
তার কয়েকদিনের মধ্যেই হাম্পির এই সাফল্য ভারতীয় দাবার ক্ষেত্রে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয়ে থাকল। ২০১২ সালে বিশ্ব র্যাপিড দাবা প্রতিযোগিতায় মহিলাদের বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন হাম্পি। তারপর ২০১৯ সালে সেই খেতাব জেতেন প্রথমবারের জন্য। জর্জিয়ার বাতুমিতে চিনের লেই তিংজিকে হারিয়েছিলেন রুদ্ধশ্বাস আর্মাগেডন গেমে।
২০২০ সালে কেয়ার্নস কাপে সোনা জিতেছিলেন হাম্পি। ২০২০ সালে ফিডে অনলাইন চেস অলিম্পিয়াডে সোনা ও ২০২১ সালে ব্রোঞ্জ জেতেন। ৪৪তম চেস অলিম্পিয়াডে ২০২২ সালেও তিনি ব্রোঞ্জ জেতেন। ২০২২ সালে মহিলাদের ব্লিৎজ চ্যাম্পিয়নশিপে হাম্পি জেতেন রুপো।
গত বছর গ্লোবাল চেস লিগে ও টাটা স্টিল ইন্ডিয়া চেস টুর্নামেন্টের ব্রিৎজ বিভাগে রুপো জেতেন হাম্পি। তারপর এদিনের সাফল্য। গত বছর সামারকান্দ র্যাপিড দাবা প্রতিযোগিতায় যুগ্মশীর্ষে থেকে শেষ অবধি টাইব্রেকে হেরে গিয়েছিলেন আনাস্তাসিয়া বদনারুকের কাছে। বুদাপেস্ট অলিম্পিয়াডে ভারত ঐতিহাসিক জোড়া সোনা জিতলেও তাতে হাম্পি অংশ নিতে পারেননি ব্যক্তিগত কারণে।
আজকের চূড়ান্ত পর্বের আগে হাম্পি ছাড়াও ওয়েনচুন, কাতেরিনা লাগনো, হরিকা দ্রোণাভল্লি, আফরুজা খামদামোভা, তান জংয়ি ও ইরেন সকলেই ছিলেন সাড়ে সাত পয়েন্টে। তবে ইরেনের বিরুদ্ধে হাম্পিই একমাত্র জেতেন। বাকি সকলের দ্বৈরথ ড্র হতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত হয়ে যায় হাম্পির।












Click it and Unblock the Notifications