Neeraj Wins Gold: কেরিয়ারে বার বার বদলেছেন কোচ, জেনে নিন নীরজের সাফল্যের নেপথ্যের কারিগর কারা?
টোকিও অলিম্পিকের পর বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ। আরও একবার সাফল্যের আলোয় উদ্ভাসিত নীরজ চোপড়া। এশিয়াডে সোনা জিতেছিলেন, অলিম্পিকেও তাঁর গলায় ছিল সোনার পদক। অধরা ছিল শুধু বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ। রবিবার রাতে সেই লক্ষ্যও পূরণ করে ফেললেন নীরজ। তাঁর পাণিপথের অ্যাথলিটের সাফল্যের পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যাবসায় এবং কোচদের ট্রেনিং।
নীরজের সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন একাধিক ব্যক্তি। যাদের কোচিংয়ে আরও শানিত হয়েছেন ভারতীয় অ্যাথলিট। কেরিয়ারের শুরু থেকেই একাধিক কোচের তত্বাবধানে অনুশীলন করেছেন। এই তালিকায় দেশীয় বিদেশি কোচরাও রয়েছেন। নীরজের সোনালী সাফল্যের দিনে এই প্রতিবেদ নে তুলে ধরা হল নেপথ্যের কারিগরদের।

হরিয়ানার খান্দ্রা গ্রামে জন্মগ্রহণ করা নীরজের ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ছিল। জাইভীর সিং প্রথম নীরজকে লক্ষ্য করেন। তাঁর অধীনেই জ্যাভেলিনে হাতখড়ি হয় খুদে নীরজের। জাইভীর সিংই নীরজের মনে খেলাধুলার আগ্রহকে আরও বৃদ্ধি করেন। ১৪ বছর বয়সেই পঞ্চকুলায় স্পোর্টস কমপ্লেসকে ভর্তি হন নীরজ। সেখানে কোচ হিসাবে পান নাসিম আহমেদকে।
তাঁর তালিমে আরও শানিত হয় নীরজের বর্শা। কিন্তু জ্যাভেলিনের মতো খেলাধুলায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য পেতে দরকার ছিল আরও উন্নত এবং আধুনিক ট্রেনিং। ২০১৬ সালে পোল্যান্ডে অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে প্রথম নজর কাড়েন নীরজ। ৮৬.৪৮ মিটার থ্রো করে রেকর্ড সৃষ্টি করেন। সেই সময় বিদেশি কোচদের তত্বাবধানেই তামিল নিতে শুরু করেন নীরজ।

অস্ট্রেলিয়ার গ্যারি কালভার্ট এবং তাঁর সহয়োগী কাশীনাথ নায়েকের তত্বাধানেই ট্রেনিং করেন ২০১৮ সাল পর্যন্ত। কিন্তু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গ্যারির অকাল প্রয়াণ হয়। গ্যারি এবং কাশীনাথের কাছে সফলভাবে ট্রেনিংয়ের পর ২০১৮ সালে বিখ্যাত জার্মান ক্রীড়াবিদ ইউ হর্ণের কাছে কোচিং নিতে শুরু করেন নীরজ।
ইউ হর্ণ অত্যন্ত সফল একজন জ্যাভেলিন থ্রোয়ার, এখনও পর্য়ন্ত পৃথিবীর একমাত্র অ্যাথলিট যার ১০০ মিটার পার করার রেকর্ড আছে। ১৯৮৪ সালে বার্লিনে করা তাঁর রেকর্ড এখনও অক্ষত। তাঁর অধীনেই ২০১৮ সালে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা পান নীরজ।

২০১৯ সালে টোকিও অলিম্পিকের আগে আবার গুরু বদল করেন নীরজ। এবার কোচিং নিতে শুরু করেন কাউস বার্তোনিজের। তাঁর কোচিংয়েই টোকিও অলিম্পিকে সোনা জেতেন নীরজ। এই কোচের ভূমিকাই নীরজের কেরিয়ারে সর্বাধিক। অলিম্পি্কের আগে নীরজের টেকনিকের যেমন বেশ কিছু পরিবর্তন করেন তেমনই ট্যাকটিকালিও পরিবর্তন করেন।
শুধু করোচ নয় নীরজের সঙ্গে থাকেন ফিজিক্যাল ট্রেনার, মনোবিদ, পুষ্টিবিদ। পোডিয়ামে নীরজ একা উঠলেও তাঁর সাফল্যের পিছনে রয়েছে একাধিক মানুষের মেধা ও পরিশ্রম।












Click it and Unblock the Notifications