ফরাসিরা হারাল হন্ডুরাসকে, সুইজারল্যান্ডের কাছে পরাজিত ইকুয়েডর

ফ্রান্সের জয়ী হওয়ার পিছনে যাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি, তিনি হলেন করিম বেনজেমা। অনেকে তাঁর অন্দরে যেন দেখেছেন জিনেদিন জিদানকে! বল দখলে রাখা, দুরন্ত গতি, সুযোগ পেয়েই পাসগুলি কাজে লাগানো ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই তিনি নাস্তানাবুদ করেছেন হন্ডুরাসের খেলোয়ারদের। আসলে পিঠে চোট পাওয়ায় এই ম্যাচে খেলতে পারেননি অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ফ্রাঁক রিবেরি। তাই ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি টিমের সদস্য তথা কোচ দিদিয়ে দেশঁ-র একটু অতিরিক্ত চিন্তা ছিল। সেই চিন্তা দূর করেছেন করিম বেনজেমা।
পেনাল্টি শট থেকে প্রথম গোল হাঁকড়ে ফ্রান্সের খাতা খোলেন তিনি। তিনি যে দ্বিতীয় গোলটি করেন, সেটা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। কারণ তিনি বলটি গোলের উদ্দেশে হাঁকড়ালেও তা পোস্টে লাগার পর হন্ডুরাসের গোলকিপার নোয়েল ভালাদারেসের গায়ে লেগে বেরিয়ে আসে। কিন্তু সন্দেহ হয় ব্রাজিলীয় রেফারি সান্দ্রো রিচির। তিনি ভিডিও ফুটেজের সহায়তা নিয়ে দেখেন যে, বলটি গোল-লাইনের ভিতরের দিকে লেগে ছিটকে বেরিয়ে এসেছে। ফলে সেটি গোল হিসাবে গণ্য হয়। তবে এ ব্যাপারে উষ্মা প্রকাশ করেন হন্ডুরাসের কোচ। ফরাসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ নিয়ে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। জানা গিয়েছে, হন্ডুরাস এর বিরুদ্ধে ফিফা-র কাছে আবেদন জানাবে। তিন নম্বর গোলটি অবশ্য হয় সরাসরি। কারিগর সেই বেনজেমা। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্স ৩-০ গোলে জেতায় তারা গ্রুপ পর্যায়ে সুইজারল্যান্ডের থেকে কিছুটা এগিয়ে রইল। কারণ সুইজারল্যান্ড ২-১ গোলে ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে জেতায় সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে ফ্রান্স এগিয়ে রইল।
প্রসঙ্গত, গতকাল সুইজারল্যান্ড বনাম ইকুয়েডর ম্যাচে ২-১ ফলাফল হয়েছে। খেলার প্রথমার্ধ ছিল বেশ ম্রিয়মান। ম্যাচ জমে ওঠে দ্বিতীয়ার্ধে। দুই দলই তখন একটি করে গোল করে সমানে-সমানে। খেলা শেষ হতে যখন আর ৩০ সেকেন্ড বাকি, তখন আচমকাই বাজিমাত করে সুইজারল্যান্ড। আক্রমণাত্মক শট হাঁকিয়ে ইকুয়েডরের গোলে বল ঢুকিয়ে দেন সুইস খেলোয়াড় সেরেফোভিচ। ফলে এক গোলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। আর শেষ ৩০ সেকেন্ডে ইকুয়েডরের কিছু করার ছিল না। যখন খেলা শেষের বাঁশি বাজে, তখন মুখে চওড়া হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়েন সুইস খেলোয়াড়রা।












Click it and Unblock the Notifications