দ্বিতীয় জয় ভারতের, পাকিস্তানের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল ভারত

ব্যাটে-বলে এদিন ছিল ভারতের অল রাউন্ডার পারফ্রম্যান্স। অসাধারণ বোলিংয়ে ১২৯-৭ রানেই আটকে ভারত আটকে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। আগের দিনের মতোই এদিনেও টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়াটা ভারতের পক্ষেই গেল।
অমিত মিশ্র এদিনও দুরন্ত ছিলেন। ১৮ রানে ২ উইকেট তোলেন অমিত। অশ্বিন ২৪ রান দিয়ে ১ টি উইকেট তুলে নেন। রবীন্দ্র জাদেজা ৩ টি উইকেট নিলেও বেশ কিছু রান তুলে দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলায়াড়দের ঝুলিতে।
বোলিংয়ের পাশাপাশি এদিন ভারতের ফিল্ডিংও ছিল যথেষ্টই আটোসাটো। সুরেশ রায়না ৩ টি ক্যাচ নেন। তবে এদিন শাহিদ আফ্রিদি ব্যাট হাতে কিছুই করতে পারেননি। ৮ রানেই প্যাভিলিয়নে ফেরত যেত হয় তাকে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে ক্রিস গেইল ৩৪ রান করে যা দলের সর্বোচ্চ। বাকিরা কেউই সেভাবে ভারতীয় স্পিনিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। স্পিনারদের বাইকেও ভুবনেশ্বর কুমারের কথা আলাদা করে বলার মতো। সঠিক লেন্থে বল রেখে যেভাবে তিনি বল করেছেন তার ফলে অনেকটা রানই আটকানো গিয়েছে।
তবে এদিন ফিল্ডিং-ব্যাটে যুবরাজ বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি এখন ফর্মে একেবারেই নেই। গেইলের সহজ লোপ্পাই ক্যাচ হাতছাড়া করেন যুবি। ব্যাট করতে নেমেও সংযোজন মাত্র ১০ রান। তাও যেখানে শেষ ওভাবে জেতার জন্য মাত্র ১ রান দরকার ছিল সেখানে ২ বল নষ্ট করে তৃতীয় বলে স্লিপে ক্যাচ তুলে আউট হন তিনি। তার আগে ঠুক ঠুক করে খেলে উল্টোদিকের ব্যাটসম্যানকে রীতিমতো অধৈর্য করে তোলেন যুবি।
ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই শিখর ধাওয়ানের উইকেট খুইয়ে একটু অস্বস্তিতে পড়ে ভারত। তবে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা পরিস্থিতি খুব ভাল ভাবে সামলে নেন। বিরাট কোহলি ৫৪ এবং রোহিত শর্মা ৬২ রান করেন। কোহলি-রায়না জুটি এদিন গুরুত্বপূর্ণ ৬৬ রান যোগ করেন উইকেটে। কোহলির ব্যাট থেকে যেখানে পাঁচটি ৪ ও একটি ৬ এসেছে, সেখানে রোহিত সমসংখ্যক চার ও ২টি ছক্কা মেরেছেন।
পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পর পর ২টি ম্যাচে হারিয়ে ওই টুর্নামেন্টে মাটি শক্ত করল ভারত। গ্রুপ ২-এর শীর্ষে উঠে এল ভারত।












Click it and Unblock the Notifications