পশ্চিম মেদিনীপুরে ভাঙল তৃণমূল! পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ঘর শক্ত করছে সিপিআইএম
গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কিংবা বিজেপি ছেড়ে সিপিআইএম-এ যোগদানের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর। সিপিআইএম-এ যোগদান পর্বে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য কমিটির সদস্য শতরূপ ঘোষ। তিনিই সিপিআইএম-এ যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।
বীরভূম, জলপাইগুড়ি, উত্তর ২৪ পরগনার শাসনের পরে এবার পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর ব্লকের বেনাই থেকে কৈজুরি পর্যন্ত সিপিআইএমের মিছিল শেষে সভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই তৃণমূল ও বিজেপি থেকে বেশ কিছু কর্মী সিপিআইএম-এ যোগদান করেন বলে দাবি করা হয়েছে।

যদিও তৃণমূল এই দলবদলের কথা মানতে নারাজ রাজ্যের শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, নিজেদের লোককেই তৃণমূল সাজিয়ে যোগদান করানো হয়েছে। শাসকদল বলছে, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে সিপিআইএম। তৃণমূলের দাবি যে অঞ্চলের কথা বলা হচ্ছে, তা তাদের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি। আগামী দিনে সেখানকার মানুষ তৃণমূলকেই ভোট দেবেন বলে দাবি।

তৃণমূলের আরও দাবি তৃণমূলে এখন অনেকেই দুর্নীতির দায়ে বহিষ্কৃত। তাঁরাই অন্য দলে যাচ্ছেন। তাঁদের সঙ্গে বেশ কিছু অনুগত যাচ্ছেন। এইসব দলবদলে শাসকদলের কোনও ক্ষতি করা যাবে না বলেও আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব।
প্রসঙ্গত একটা সময় এই দাসপুর ছিল সিপিআইএমের শক্তঘাঁটি। ২০১১ সালের তৃণমূল আসার পরে এলাকা থেকে সাফ হয়ে যায় সিপিআইএম। সব পার্টি অফিস বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় তারা। সেখানে আবারও মিছিল করে পার্টি অফিস খোলার উদ্যোগ শুরু হয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সিপিআইএম নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় বিভিন্ন দল থেকে সিপিআইএমে যোগদানের খবর পাওয়া যাচ্ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তা যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বটে।












Click it and Unblock the Notifications