সমবায় ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত অবৈধ! আইনি পথেই মোকাবিলা, বললেন শুভেন্দু
অনাস্থার ভোটাভুটিতে হেরে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের (contai co-operative bank) চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারিত হতে হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে (suvendu adhikari)। যা নিয়ে তৃণমূলকে (trinamool congress) নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা।
অনাস্থার ভোটাভুটিতে হেরে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের (contai co-operative bank) চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারিত হতে হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে (suvendu adhikari)। যা নিয়ে তৃণমূলকে (trinamool congress) নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা। অপসারণ অবৈধ বলে দাবি করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশেই এই কাজ করা হয়েছে।

ভোটাভুটিতে পরাজিত শুভেন্দু
এদিন চেয়ারম্যান হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটে হাজির ছিলেন কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের ১৮ ডিরেক্টরের মধ্যে ১০ জন। সেই ভোটেই পরাজিত হন শুভেন্দু অধিকারী। পাস হয়ে যায় অনাস্থা প্রস্তাব। চেয়ারম্যানের পদ থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে সরানোর কথা ঘোষণা করেন ব্যাঙ্কের অন্যতম ডিরেক্টর আলেম আলি খান। তিনি অভিযোগ করেন চার মাস ধরে ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ আঁকড়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গ্রাহকদের লোন দেওয়া-সহ বিভিন্ন কাজ আটকে গিয়েছিল এই কারণে। এদিন ব্যাঙ্কের পরিচালন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, হাইকোর্টের ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষে রায় দিয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান চিন্তামনি মণ্ডল আপাতত চেয়ারম্যানের কাজ সামলাবেন বলে জানা গিয়েছে।

যা হয়েছে আইন মেনেই হয়েছে
এদিনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এদিন জেলা তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, যা হয়েছে, আইন মেনেই করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আরও আগে নেওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করা হয়েছে জেলা তৃণমূলের তরফে। তবে শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীদের অভিযোগ তৃণমূলের তরফে চাপ দিয়েই এই অনাস্থা আনা হয়েছিল।

সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
এদিনের সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি বৈধভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ব্যাঙ্কের পরিচালন কমিটির সম্পাদক যিনি এই এদিনের সভা ডেকেছিলেন, তিনি নিজেই অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অপসারণ তাঁর কাছে গুরুত্বহীন বলে তিনি বলেছেন, আইনি পথেই এর সমাধান করা হবে।

বিজেপিতে যোগ দেওয়াতেই যত গণ্ডগোল
২০০৯ সাল থেকে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুবারের বেশি ওই পদে না থাকার রেওয়াজ থাকলেও, শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন বেশ কয়েকবার। সমস্যা তৈরি হয় তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে। রাজ্য সরকারের তরফে একদিকে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কে স্পেশাল অডিটের নির্দেশ দেওয়া হয়, অন্যদিকে চেয়ারম্যান হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন বেশ কয়েকজন ডিরেক্টর। এমাসের শুরুর দিকে স্পেশাল অডিটের নির্দেশের ওপরে স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications