Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

প্রাণনাশের হুমকি দিব্যেন্দুকে, হলদিয়ায় কয়লাচুরি রুখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠির পরই এল ফোন

সাংসদ বলেন, যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই হাল হল রাজ্যে, তবে কোথায় নিরাপত্তা! কয়লা জাতীয় সম্পদ, তা রক্ষা করার প্রয়োজন।

গভীর রাতে হলদিয়া বন্দরে লক্ষ লক্ষ টাকার কয়লা চুরি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। তারপর সিআইএসএফ জওয়ান ও আধিকারিকদের উপর পাথর বাজি হামলার অভিযোগও উঠছিল। সেই ঘটনায় প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লেখার পরই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীকে।

এলাকায় লুঠতরাজ চলছে, তাই তা বন্ধ করতে বিভিন্ন দফতরে নালি জানিয়েছিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানোয় সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হল। অভিযোগ, তাঁকে প্রাণে মারতে ছক কষা হচ্ছে। তাঁর গতিবিধির উপর নজরদারিও চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।

হলদিয়ায় কয়লাচুরি রুখতে চিঠি, প্রাণনাশের হুমকি দিব্যেন্দুকে

তমলুকের সাংসদকে ফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে ভারত সরকার তার নিজস্ব এজেন্সি মারফত তথ্য সংগ্রহ করছে ইতিমধ্যে। কয়লা চুরি-সহ লুঠতরাজ রুখতে হলদিয়া পুলিশ ব্যর্থ। রাজ্যজুড়ে কয়লা পাচার দুর্নীতি নিয়ে শোরগোলের মাঝখানে ফের নতুন করে হলদিয়া বন্দরে কয়লাচুরির অভিযোগ সামনে এল।

এখনো খাতা কলমে তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তাঁর উপর হামলার ছক কষা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাংসদ জানিয়েছেন, রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে সমন্বয় রেখে চলা অত্যন্ত জরুরি। তিনি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের বেষ্টনীতে থাকেন। কিন্তু সেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীরা যেখানে আক্রান্ত হচ্ছেন, তখন রাজ্য পুলিশ তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না।

কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। রাজ্য পুলিশ কিছুই করছে না। তাই রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়ের আর্জি জানিয়েছেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি গভীর রাতে ৪০ থেকে ৫০ জন দুষ্কৃতী হলদিয়া বন্দরের কয়লা চুরি করছিল। তা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নজরে আসে।

এরপর জওয়ানরা সিআইএসএফের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডারকে খবর দেন। কমান্ডার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের বাহিনী নিয়ে দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করে। তখন কেন্দ্রীয় বাহিনীদের গাড়ি লক্ষ্য করে ব্যাপক পাত্থর বৃষ্টি করা হয়। সবটাই রাতের অন্ধকারে। পাথরের আঘাতে গুরুতর জখম হন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডার-সহ বেশ কয়েকজন জওয়ান। পরে তাঁদেরকে হলদিয়া পোর্ট হসপিটালে ভর্তি করা হয়।

হলদিয়া থানায় অভিযোগ জানানোর পর প্রায় একমাস কেটে গেলেও এখনো পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কোনো অগ্রগতিই হয়নি। দুষ্কৃতীরা একটি স্কুটি ও মোটরসাইকেল ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়েছিল। সেই দুটো বাইক পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারপরও পুলিশ দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করতে পারছে না।

সাংসদ বলেন, যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই হাল হল রাজ্যে, তবে কোথায় নিরাপত্তা! কয়লা জাতীয় সম্পদ, তা রক্ষা করার প্রয়োজন। সেই সম্পদ চুরির ঘটনা শুধু হলদিয়া নয়, বাংলার কাছে লজ্জার। তাছাড়া হলদিয়া গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এলাকা, কোস্ট গার্ড রয়েছে কোস্টগার্ডের ডিআইজি এখানে বসেন, সমুদ্রসহ হলদি নদী রয়েছে, জাহাজ যাওয়া আসা করছে গুরুত্বপূর্ণ পণ্য নিয়ে। সেই জায়গায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট।

সাংসদের অভিযোগ, উপকূল পুলিশের কাছে ভারত সরকারের দেওয়া এফআরবি বোট রয়েছে, তা ব্যবহার হচ্ছে না, এমনকী নিয়মিত পেট্রোলিংও করছে না পুলিশ। জলপথে যে কোনো সময় হামলা হতে পারে। কোস্টাল সিকিউরিটি নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর চিন্তিত। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হস্তক্ষেপ করা উচিত বলে মনে করেন সাংসদ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+