খেলা হবে দিবস থেকে তৃণমূলের নতুন কর্মসূচি! নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পরে হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) । দুদিন আগে সিবিআই হেফাজতে নিয়েছে বীরভূম তৃণমূলের (Trinamool Congress) জেলা সভাপতিকে। যা নিয়ে যথেষ্টই চাপে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু এদিন মমতা বন্দ্যোপা
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পরে হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) । দুদিন আগে সিবিআই হেফাজতে নিয়েছে বীরভূম তৃণমূলের (Trinamool Congress) জেলা সভাপতিকে। যা নিয়ে যথেষ্টই চাপে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন ভয় পেলে চলবে না। রাস্তায় নামতে হবে। দলের রাস্তায় থাকার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার পাশাপাশি এদিন তিনি নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিশানা করেছেন।

নতুন কর্মসূচির ঘোষণা
বেহালার সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এদিন ৭৫ জন মনীষীর ছবিতে dp বদলেছেন। ১৫ অগাস্ট সবাই রেড রোড যেতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, ১৬ আগস্ট থেকে আবার খেলা হবে। আবার আন্দোলন হবে।
দলের নেতা ও কর্মীদের চায়ের দোকানে এবং সাধারণের বাড়িতে যেতে আহ্বান করেছেন। তিনি বলেছেন পুজোর মিটিং আছে ২২ আগস্ট। ২৯ ছাত্র দিবস। ৮ তারিখ নেতাজি ইনডোরে বুথ লেবেল কর্মী সম্মেলন রয়েছে।
তিনি বলেন, রাস্তায় নামতে হবে। রাস্তাই তৃণমূলকে রাস্তা দেখাবে। নতুন করে আরেকটা যুদ্ধ শুরু হবে। সেটা হবে খেলা হবে দিবস থেকে। তিনি দলের নেতা ও কর্মীদের বলেন, খেলতে খেলতে মিছিল করুন। ছুটির দিন না থাকলে সন্ধ্যে ছুটি থাকলে ৩ টে থেকে৫টা রোজ চলবে। প্ল্যাকার্ড লাগাবেন।

নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদীর নাম না করে বলেন, গায়ের জোরে পতাকা নাড়া শেখাচ্ছো? ছোট থেকে তাঁরা এসব করে আসছেন বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন করেন, তোমরা কখনও করেছো? বিশ্বাসঘাতকতা করেছো। জোর করে এখন পতাকা লাগাতে বলছো? তার পরেই বলেন তুই কে রে? দেশটা কে বেচে দেবে। তাঁকে আটকাতে চাইছে। একটা কেষ্ট কে ধরলে লক্ষ কেষ্ট রাস্তায় নামবে বলেও জানান তিনি।

একটা পা ছোট, একটা হাত ছোট, একটা চোখ ট্যারা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বিজেপি নেতাদের আক্রমণ করতে গিয়ে বলেন, একটা পা ছোট, একটা হাত ছোট, একটা চোখ ট্যারা। দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের কাছে নাম দেওয়ার ঘোষণাকেও তীব্র কটাক্ষ করেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যাঁদের দলে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল, তাঁরাই এখন এসব কথা বলছেন।

নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র নিশানা করেন। তিনি বলেন, অনেকে আছে পরে দলে এসে গদ্দারি করে বিজেপিতে পালিয়েছে। তাঁর প্রশ্ন তোমার কটা বাড়ি, কটা ট্রলার, মুর্শিদাবাদে কী করেছ, মালদায় কী করেছ? মেদিনীপুর এ কী করেছ?
তুমি বাঁকুড়া-পুরুলিয়ায় কী করেছো? নাম না করে তিনি বলেন, সব চাকরি তুমি (শুভেন্দু দিয়েছো)। তিনি বলেন, এত বাড় বেড়ো না ঝড়ে পড়ে যাবে। তিনি এদিন নন্দীগ্রামে সেটিং-এর অভিযোগ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications